টাঙ্গাইলের ভূঞাপুর মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষকরা দেশব্যাপী কর্মবিরতি পালন করছেন। এই পরিস্থিতিতে বিদ্যালয়ের বার্ষিক পরীক্ষা পরিচালনার দায়িত্ব নিয়েছেন অভিভাবকরা।
মঙ্গলবার সকালে অনুষ্ঠিত বার্ষিক পরীক্ষায় এমন চিত্র দেখা গেছে। বিদ্যালয়ের বাইরে শিক্ষকরা কর্মবিরতি পালন করছিলেন। পরীক্ষা কেন্দ্রের বাইরে ও স্কুলের আঙিনায় অভিভাবকদের উপস্থিতি দেখা যায়। হলের ভেতরে পরীক্ষা কেন্দ্র পরিদর্শকের দায়িত্ব পালন করেছেন অভিভাবকদের কেউ কেউ।
অভিভাবকরা জানান, শিক্ষকরা কর্মবিরতি পালন করছেন। কিন্তু বার্ষিক পরীক্ষা শুরু হয়ে গেছে। তাই সন্তানদের কথা ভেবে প্রধান শিক্ষকের আহ্বানে সাড়া দিয়ে তারা নিজেরাই পরীক্ষার হলে পরিদর্শকের দায়িত্ব পালন করছেন। ওই জেলার সবগুলো সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা দাবি আদায়ে কর্মবিরতি পালন করছেন বলে জানান তারা।
ভূঞাপুর মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রাসেল পারভেজ জানান, ১১তম গ্রেডের দাবিতে কর্মবিরতি পালন করছেন শিক্ষকরা। যতক্ষণ না প্রজ্ঞাপন জারি করে ততক্ষণ কর্মবিরতি পালিত হবে বলে শিক্ষকদের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে। তবে শিক্ষকরা কর্মবিরতি পালন করায় পরীক্ষার ব্যবস্থাপনায় কিছুটা সমস্যা হচ্ছে। সংকট মোকাবেলায় অভিভাবকদের সহযোগিতায় পরীক্ষা নেওয়া হচ্ছে।
এই পরিস্থিতিতে অভিভাবকরা সন্তানদের শিক্ষার স্বার্থে এগিয়ে এসেছেন। তারা পরীক্ষা পরিচালনার দায়িত্ব নিয়েছেন। এটি একটি ইতিবাচক পদক্ষেপ। অভিভাবকদের এই সহযোগিতা সন্তানদের শিক্ষার উন্নয়নে অবদান রাখবে।
শিক্ষকদের কর্মবিরতি পালন করায় পরীক্ষার ব্যবস্থাপনায় সমস্যা হচ্ছে। এই সমস্যা সমাধানের জন্য সরকারকে শিক্ষকদের দাবি বিবেচনা করতে হবে। শিক্ষকদের দাবি মেটাতে হলে সরকারকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে হবে। এতে শিক্ষার মান উন্নয়ন হবে।
শিক্ষা ব্যবস্থায় সংস্কার প্রয়োজন। শিক্ষকদের দাবি মেটানোর পাশাপাশি শিক্ষার মান উন্নয়নের জন্য সরকারকে কাজ করতে হবে। এতে শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যত উজ্জ্বল হবে। শিক্ষা ব্যবস্থায় সংস্কার করা একটি চ্যালেঞ্জিং কাজ। কিন্তু এটি করা প্রয়োজন। শিক্ষা ব্যবস্থায় সংস্কার করা হলে দেশের উন্নয়ন হবে।
শিক্ষার্থীরা কি ভাবছে এই পরিস্থিতি নিয়ে? তারা কি ভাবছে শিক্ষকদের কর্মবিরতি পালন করা সঠিক কি না? তারা কি ভাবছে অভিভাবকদের পরীক্ষা পরিচালনার দায়িত্ব নেওয়া সঠিক কি না? এই প্রশ্নগুলোর উত্তর খুঁজে বের করা প্রয়োজন। শিক্ষার্থীদের মতামত জানা প্রয়োজন। এতে শিক্ষা ব্যবস্থায় সংস্কার করা সহজ হবে।



