চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ সর্বোচ্চ আদালতের নির্দেশে নতুন ট্যারিফ অনুযায়ী চার্জ সংগ্রহ শুরু করেছে। এই সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ তাদের বিভিন্ন বিভাগকে নতুন ট্যারিফ কাঠামো বাস্তবায়নের নির্দেশ দিয়েছে।
চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের প্রধান অর্থ ও হিসাব কর্মকর্তা স্বাক্ষরিত একটি বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়েছে। এই বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে যে উচ্চ আদালত পূর্বে নতুন ট্যারিফ বাস্তবায়নের জন্য একটি স্থগিতাদেশ জারি করেছিল, কিন্তু সর্বোচ্চ আদালত সেই স্থগিতাদেশটি প্রত্যাহার করেছে।
চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের এই সিদ্ধান্তের ফলে বন্দরে কার্যক্রমে কিছুটা পরিবর্তন আসতে পারে। বন্দর কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে যে তারা নতুন ট্যারিফ কাঠামো বাস্তবায়নের জন্য প্রয়োজনীয় সমস্ত পদক্ষেপ নিচ্ছে।
এই বিষয়ে বন্দর কর্তৃপক্ষের একজন কর্মকর্তা জানিয়েছেন যে তারা নতুন ট্যারিফ কাঠামো বাস্তবায়নের জন্য সমস্ত প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছেন। তিনি আরও জানিয়েছেন যে এই সিদ্ধান্তের ফলে বন্দরের কার্যক্রমে কোনও ব্যাঘাত ঘটবে না।
চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের এই সিদ্ধান্ত বাংলাদেশের অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। এই সিদ্ধান্তের ফলে বন্দরের আয় বৃদ্ধি পেতে পারে, যা অর্থনীতিতে অবদান রাখবে।
চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের এই সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের জন্য সরকারকে সমর্থন করা উচিত। এই সিদ্ধান্তের ফলে বাংলাদেশের অর্থনীতি এগিয়ে যেতে পারে।



