ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের ভিপি সাদিক কায়েমের বিরুদ্ধে দায়েরকৃত সাইবার মামলার ঘটনায় বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে। ছাত্রদল এই মামলাকে অনলাইনে মতপ্রকাশের স্বাধীনতার ওপর আঘাত হিসেবে আখ্যা দিয়েছে।
মঙ্গলবার ছাত্রদলের এক প্রেস বিবৃতিতে বলা হয়েছে, সাদিক কায়েম কয়েকটি ফেসবুক আইডি ও পেজের বিরুদ্ধে ভিত্তিহীন ও হয়রানিমূলক মামলা দায়ের করেছেন। এতে মিম পেজ ও ট্রল পেজও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
বিবৃতিতে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, ডাকসুর ভিপি হিসেবে একজন ছাত্রনেতার শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে এ ধরনের মামলা দায়ের করা নজিরবিহীন ও দুঃখজনক। এতে ছাত্র রাজনীতির সংস্কৃতি ও পদের মর্যাদা ক্ষুণ্ণ হচ্ছে বলে ছাত্রদলের অভিমত।
ছাত্রদল সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব ও সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দীন নাছির যৌথভাবে সাদিক কায়েমের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন, তিনি যেন দ্রুত মামলাগুলো প্রত্যাহার করে নেন এবং সংশ্লিষ্ট শিক্ষার্থীদের কাছে দুঃখ প্রকাশ করেন।
এই ঘটনার পর ছাত্রদল সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব বলেছেন, ছাত্র রাজনীতির স্বাধীনতা ও গণতন্ত্রের প্রতি শ্রদ্ধা প্রকাশ করতে হবে। তিনি আরও বলেছেন, সাইবার মামলা দায়ের করা একটি অগ্রহণযোগ্য ঘটনা এবং এটি ছাত্র রাজনীতির সংস্কৃতির বিরুদ্ধে একটি আঘাত।
এই ঘটনার পর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রসমাজে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। অনেকে সাদিক কায়েমের এই সিদ্ধান্তের তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন এবং তাকে মামলাগুলো প্রত্যাহার করতে বলেছেন। এই ঘটনা ছাত্র রাজনীতির সংস্কৃতি ও গণতন্ত্রের প্রতি শ্রদ্ধার একটি বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখা হচ্ছে।
এই ঘটনার পর বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব বলেছেন, তারা এই ঘটনার তীব্র নিন্দা জানাচ্ছেন এবং সাদিক কায়েমকে মামলাগুলো প্রত্যাহার করতে বলছেন। তিনি আরও বলেছেন, ছাত্র রাজনীতির স্বাধীনতা ও গণতন্ত্রের প্রতি শ্রদ্ধা প্রকাশ করতে হবে।
এই ঘটনার পর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রসমাজে তীব্র আলোচনা শুরু হয়েছে। অনেকে সাদিক কায়েমের এই সিদ্ধান্তের তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন এবং তাকে মামলাগুলো প্রত্যাহার করতে বলেছেন। এই ঘটনা ছাত্র রাজনীতির সংস্কৃতি ও গণতন্ত্রের প্রতি শ্রদ্ধার একটি বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখা হচ্ছে।
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব বলেছেন, তারা এই ঘটনার তীব্র নিন্দা জানাচ্ছেন এবং সাদিক কায়েমকে মামলাগুলো প্রত্যাহার করতে বলছেন। তিনি আরও বলেছেন, ছাত্র রাজনীতির স্বাধীনতা ও গণতন্ত্রের প্রতি শ্রদ্ধা প্রকাশ করতে হবে।
এই ঘটনার পর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রসমাজে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। অনেকে সাদিক কায়েমের এই সিদ্ধান্তের তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন এবং তাকে মামলাগুলো প্রত্যাহার করতে বলেছেন। এই ঘটনা ছাত্র রাজনীতির সংস্কৃতি ও গণতন্ত্রের প্রতি শ্রদ্ধার একটি বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখা হচ্ছে।



