চুয়াডাঙ্গায় সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়গুলোতে চার দফা দাবিতে শিক্ষকদের লাগাতার কর্মবিরতির কারণে বার্ষিক ও নির্বাচনী পরীক্ষা স্থগিত হয়েছে। এসব প্রতিষ্ঠানের ফেসবুক পেজে ঘোষণা দিয়ে পরীক্ষা স্থগিতের কথা জানানো হয়েছে।
দুই দিন ধরে পরীক্ষা স্থগিত থাকায় অভিভাবক ও পরীক্ষার্থীরা ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন। শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের সূত্রে জানা যায়, গত ২০ নভেম্বর শুরু হওয়া বার্ষিক পরীক্ষা ৮ ডিসেম্বর শেষ হওয়ার কথা ছিল।
নবম শ্রেণি পর্যন্ত বার্ষিক ও এসএসসি ২০২৬ ব্যাচের নির্বাচনী পরীক্ষা চলাকালে শিক্ষকদের কর্মবিরতির কারণে এসব পরীক্ষা নিয়ে চরম অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে। ১ ডিসেম্বরের পরীক্ষা হয়নি। আজকের পরীক্ষাও স্থগিত করা হয়েছে।
অনেক অভিভাবক ফেসবুকে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছেন। রুমানা ইসলাম নামের এক অভিভাবক প্রশ্ন করেন, ‘এই আন্দোলন পরীক্ষার আগে বা পরে করা যেত না?’ আরেক অভিভাবক ফারহানা শিউলীর মন্তব্য, ‘বাচ্চারা যখনই শুনছে পরীক্ষা হচ্ছে না, স্থগিত; এখন তারা আর পড়ছে না।’
মো. ইস্রাফিল নামের আরেক ব্যক্তি বলেন, ‘দাবি আদায়ের জন্য বাচ্চাদের পরীক্ষা স্থগিত করার কোনো মানেই হয় না। শিক্ষকতা একটি মহান পেশা। একজন শিক্ষকের সম্মান অনেক গুরুত্বপূর্ণ।’
এই পরিস্থিতিতে অভিভাবক ও পরীক্ষার্থীদের উচিত সবর করা এবং পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা। পরীক্ষা স্থগিতের কারণে তাদের পড়াশোনা ব্যাহত না হয়ে যায় সে বিষয়ে সতর্ক থাকা উচিত।



