ব্রাহ্মণবাড়িয়ার এক অন্ধ শিল্পী পরিবারের জীবিকা হুমকির সম্মুখীন। হেলাল মিয়া নামের এই শিল্পী পরিবার প্রায় অর্ধশতাব্দী ধরে গান গেয়ে জীবিকা নির্বাহ করছেন। কিন্তু সম্প্রতি কয়েকজন যুবক তাদের গান বন্ধ করে দিতে বলেছে এবং ভিক্ষা করতে বলেছে।
হেলাল মিয়া একটি বড় পরিবারের মুখিয। তার ১৩ সদস্যের পরিবারে নয়জনই দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী। তারা সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত ব্রাহ্মণবাড়িয়া পৌর মুক্তমঞ্চের সামনে আধ্যাত্মিক গান পরিবেশন করেন। দর্শনার্থীরা তাদের গান শুনে যা দেন, তাই দিয়েই তাদের জীবিকা চলে।
কিন্তু গত বুধবার কয়েকজন যুবক তাদের গান বন্ধ করে দিতে বলেছে। তারা হেলাল মিয়াদের বলেছে যে তারা গান ছেড়ে ভিক্ষা করবেন। নাহলে তারা তাদের বাদ্যযন্ত্র ভেঙে ফেলবে। এই হুমকির কারণে হেলাল মিয়া এবং তার পরিবার এখন নিদারুণ সংকটের মধ্যে রয়েছেন।
হেলাল মিয়া বলেছেন, তারা গান গেয়েই জীবিকা নির্বাহ করেন। কিন্তু এখন তারা গান গাতে পারছেন না। তাদের জীবিকা হুমকির সম্মুখীন। তিনি বলেছেন, তারা গান গেয়েই চান জীবিকা নির্বাহ করতে। ভিক্ষা করতে তারা চান না।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি হাফিজুর রহমান মোল্লা কচি বলেছেন, এই ঘটনা অত্যন্ত দুঃখজনক। তিনি হেলাল মিয়াদের বলেছেন যে তারা আবারও মুক্তমঞ্চে বসে গান গাইতে পারেন।
এই ঘটনার পর হেলাল মিয়া এবং তার পরিবার এখন নিদারুণ সংকটের মধ্যে রয়েছেন। তারা গান গেয়েই জীবিকা নির্বাহ করতে চান। কিন্তু এখন তারা গান গাতে পারছেন না। তাদের জীবিকা হুমকির সম্মুখীন।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা প্রশাসন এই ঘটনার বিষয়ে এখনও কোনো বিবৃতি দেয়নি। কিন্তু হেলাল মিয়া এবং তার পরিবার এখন নিদারুণ সংকটের মধ্যে রয়েছেন। তারা গান গেয়েই জীবিকা নির্বাহ করতে চান। কিন্তু এখন তারা গান গাতে পারছেন না। তাদের জীবিকা হুমকির সম্মুখীন।
এই ঘটনার পর হেলাল মিয়া এবং তার পরিবার এখন নিদারুণ সংকটের মধ্যে রয়েছেন। তারা গান গেয়েই জীবিকা নির্বাহ করতে চান। কিন্তু এখন তারা গান গাতে পারছেন না। তাদের জীবিকা হুমকির সম্মুখীন। তারা এখন সহায়তার জন্য সরকার এবং সমাজের দিকে তাকিয়ে আছেন।



