পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তির ২৮ বছর পূর্তি হলো। ১৯৯৭ সালে স্বাক্ষরিত এই চুক্তি পার্বত্য চট্টগ্রামের শান্তি ও স্থিতিশীলতা পুনরুদ্ধারের লক্ষ্যে করা হয়েছিল। কিন্তু এই চুক্তি বাস্তবায়নে বিলম্ব ও বৈষম্যের অভিযোগ রয়েছে।
পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতি (পিসিজেএসএস) এবং তার সশস্ত্র গেরিলা শাখা শান্তিবাহিনীর সাথে সরকারের আলোচনার মাধ্যমে এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছিল। কিন্তু পার্বত্য বাঙালি জনগোষ্ঠীর প্রতিনিধিদের সাথে আলোচনা না করে শুধুমাত্র উপজাতীয় নেতৃবৃন্দের সাথে চুক্তি করা হয়েছিল বলে অভিযোগ রয়েছে।
পার্বত্য চট্টগ্রামের চেয়ারম্যানের পদ উপজাতীয় নেতাদের জন্য সংরক্ষিত করা হয়েছে। এছাড়াও স্থানীয় সরকারের শীর্ষ পদ ও অধিকাংশ সদস্যপদ একটি নির্দিষ্ট অংশের জন্য সংরক্ষিত করে সকল নাগরিকের সুযোগের সমতা নষ্ট করা হয়েছে।
পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তির বাস্তবায়নে বিলম্ব ও বৈষম্যের অভিযোগ রয়েছে। এই চুক্তি বাস্তবায়নে সরকারকে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানাচ্ছে বিভিন্ন মহল।
পার্বত্য চট্টগ্রামের শান্তি ও স্থিতিশীলতা পুনরুদ্ধারের জন্য সরকারকে কাজ করতে হবে। এই চুক্তি বাস্তবায়নে সরকারের প্রতিশ্রুতি রয়েছে। কিন্তু এই চুক্তি বাস্তবায়নে বিলম্ব ও বৈষম্যের অভিযোগ রয়েছে।
পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তির ২৮ বছর পূর্তি উপলক্ষ্যে বিভিন্ন মহল থেকে প্রতিক্রিয়া এসেছে। এই চুক্তি বাস্তবায়নে সরকারকে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানাচ্ছে বিভিন্ন মহল।
পার্বত্য চট্টগ্রামের শান্তি ও স্থিতিশীলতা পুনরুদ্ধারের জন্য সরকারকে কাজ করতে হবে। এই চুক্তি বাস্তবায়নে সরকারের প্রতিশ্রুতি রয়েছে। কিন্তু এই চুক্তি বাস্তবায়নে বিলম্ব ও বৈষম্যের অভিযোগ রয়েছে।
পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তির ২৮ বছর পূর্তি উপলক্ষ্যে বিভিন্ন মহল থেকে প্রতিক্রিয়া এসেছে। এই চুক্তি বাস্তবায়নে সরকারকে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানাচ্ছে বিভিন্ন মহল।
পার্বত্য চট্টগ্রামের শান্তি ও স্থিতিশীলতা পুনরুদ্ধারের জন্য সরকারকে কাজ করতে হবে। এই চুক্তি বাস্তবায়নে সরকারের প্রতিশ্রুতি রয়েছে। কিন্তু এই চুক্তি বাস্তবায়নে বিলম্ব ও বৈষম্যের অভিযোগ রয়েছে।



