বাংলাদেশের ব্যাংকিং খাতে একটি গুরুতর সংকট দেখা দিয়েছে। উচ্চ সুদ, কম ঋণ এবং অনিশ্চয়তার কারণে ব্যবসায়ীরা নতুন যন্ত্রপাতি আমদানি কমিয়ে দিচ্ছেন। ফলে অর্থনীতির বিনিয়োগ চক্রে গভীর প্রভাব পড়ছে।
ব্যাংকগুলোর আচরণে এসেছে অতিরিক্ত সতর্কতা। উচ্চ খেলাপি ঋণের ঝুঁকিতে অনেক ব্যাংক এখন কম ঝুঁকিপূর্ণ সরকারি ঋণের দিকে বেশি ঝুঁকছে। ফলে সেপ্টেম্বর মাসে সরকারি খাতে ঋণপ্রবাহ দাঁড়িয়েছে ২৪.৪৫ শতাংশ, যা বেসরকারি খাতের বিপরীতে এক অসম চাপ তৈরি করছে।
এই পরিস্থিতিতে প্রধান দৃষ্টি দিতে হবে ব্যাংকিং খাতে সুদ-স্প্রেড কমানো, খেলাপি ঋণ ব্যবস্থাপনা জোরদার করা এবং বেসরকারি খাতের ঋণপ্রবাহ পুনরুদ্ধারের দিকে। অন্যথায়, মুদ্রাস্ফীতি কমলেও উৎপাদন ও বিনিয়োগে যে স্থবিরতা দেখা দিচ্ছে, তা সামগ্রিক অর্থনীতিকে দীর্ঘ মেয়াদে ঝুঁকির দিকে ঠেলে দিতে পারে।
ব্যাংকিং খাতের এই সংকট সরাসরি মুদ্রানীতির লক্ষ্যকেও ব্যাহত করছে। উচ্চ সুদ, সীমিত ঋণ এবং অনিশ্চয়তার মধ্যে ব্যবসায়ীরা নতুন যন্ত্রপাতি আমদানি কমিয়ে দিচ্ছেন। ২০২৫-২৬ অর্থবছরের প্রথম তিন মাসে ক্যাপিটাল মেশিনারি আমদানি আগের বছরের তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে, জুলাইয়ে ৪৫৫.৯৩ মিলিয়ন ডলার থেকে কমে হয়েছে ২৬৭.১ মিলিয়ন ডলার।
অর্থনীতি বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই পরিস্থিতিতে প্রধান দৃষ্টি দিতে হবে ব্যাংকিং খাতে সুদ-স্প্রেড কমানো, খেলাপি ঋণ ব্যবস্থাপনা জোরদার করা এবং বেসরকারি খাতের ঋণপ্রবাহ পুনরুদ্ধারের দিকে। অন্যথায়, মুদ্রাস্ফীতি কমলেও উৎপাদন ও বিনিয়োগে যে স্থবিরতা দেখা দিচ্ছে, তা সামগ্রিক অর্থনীতিকে দীর্ঘ মেয়াদে ঝুঁকির দিকে ঠেলে দিতে পারে।
ব্যাংকিং খাতের এই সংকট সরাসরি মুদ্রানীতির লক্ষ্যকেও ব্যাহত করছে। উচ্চ সুদ, সীমিত ঋণ এবং অনিশ্চয়তার মধ্যে ব্যবসায়ীরা নতুন যন্ত্রপাতি আমদানি কমিয়ে দিচ্ছেন। ২০২৫-২৬ অর্থবছরের প্রথম তিন মাসে ক্যাপিটাল মেশিনারি আমদানি আগের বছরের তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে, জুলাইয়ে ৪৫৫.৯৩ মিলিয়ন ডলার থেকে কমে হয়েছে ২৬৭.১ মিলিয়ন ডলার।
অর্থনীতি বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই পরিস্থিতিতে প্রধান দৃষ্টি দিতে হবে ব্যাংকিং খাতে সুদ-স্প্রেড কমানো, খেলাপি ঋণ ব্যবস্থাপনা জোরদার করা এবং বেসরকারি খাতের ঋণপ্রবাহ পুনরুদ্ধারের দিকে। অন্যথায়, মুদ্রাস্ফীতি কমলেও উৎপাদন ও বিনিয়োগে যে স্থবিরতা দেখা দিচ্ছে, তা সামগ্রিক অর্থনীতিকে দীর্ঘ মেয়াদে ঝুঁকির দিকে ঠেলে দিতে পারে।
ব্যাংকিং খাতের এই সংকট সরাসরি মুদ্রানীতির লক্ষ্যকেও ব্যাহত করছে। উচ্চ সুদ, সীমিত ঋণ এবং অনিশ্চয়তার মধ্যে ব্যবসায়ীরা নতুন যন্ত্রপাতি আমদানি কমিয়ে দিচ্ছেন। ২০২৫-২৬ অর্থবছরের প্রথম তিন মাসে ক্যাপিটাল মেশিনারি আমদানি আগের বছরের তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে, জুলাইয়ে ৪৫৫.৯৩ মিলিয়ন ডলার থেকে কমে হয়েছে ২৬৭.১ মিলিয়ন ডলার।
অর্থনীতি বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই পরিস্থিতিতে প্রধান



