পার্বত্য চট্টগ্রাম শান্তি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে ২৮ বছর হলো। কিন্তু এখনও পার্বত্য চট্টগ্রাম আঞ্চলিক পরিষদ নিয়ে আইনগত বিরোধগুলো নিষ্পত্তি হয়নি। দুটি আপিল ১৪ বছর ধরে সুপ্রীম কোর্টে বাকি আছে।
এট্টি অ্যাটর্নি জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান বলেছেন, এই আপিলগুলো শীঘ্রই শুনানি হবে এমন সম্ভাবনা কম। কারণ এগুলো আদালতের শুনানির তালিকায় নীচের দিকে রয়েছে।
পার্বত্য চট্টগ্রাম আঞ্চলিক পরিষদের সভাপতি জ্যোতিরিন্দ্র বোধিপ্রিয় লারমা, যিনি সন্তু লারমা নামে পরিচিত, তার নেতৃত্বে ১৯৯৯ সাল থেকে পরিষদটি কাজ করছে।
২০১১ সালে সরকার এবং পার্বত্য চট্টগ্রাম আঞ্চলিক পরিষদ উচ্চ আদালতের রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করে। তারা বলেছে, পরিষদটি তিনটি পার্বত্য জেলা পরিষদকে সহায়তা দেওয়ার জন্য গঠিত একটি আইনগত কর্তৃপক্ষ এবং এই আইনটি পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর জন্য সংবিধান দ্বারা সুরক্ষিত।
এই বিষয়ে আইনজীবী মো. তাজুল ইসলাম বলেছেন, তিনি আগামী সাধারণ নির্বাচনের আগে এই আপিলগুলো নিয়ে কোনো পদক্ষেপ নিতে পারবেন না। কারণ তার কাজের চাপ বেশি। তিনি বলেছেন, যদি আপিলগুলো শুনানির তালিকায় আসে, তাহলে রাষ্ট্রীয় আইনজীবীরা এগুলো নিয়ে কাজ করতে পারে।
পার্বত্য চট্টগ্রাম আঞ্চলিক পরিষদ গঠিত হয়েছে ১৯৯৮ সালে। কিন্তু ২০১০ সালে দুজন আইনজীবী এই আইনটির বিরুদ্ধে আদালতে মামলা করেন। উচ্চ আদালত এই আইনটিকে অবৈধ ও অসাংবিধানিক বলে রায় দেয়। এরপর থেকে পরিষদটি সুপ্রীম কোর্টের একটি আদেশের ভিত্তিতে কাজ করছে।
এই বিষয়ে রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, পার্বত্য চট্টগ্রাম আঞ্চলিক পরিষদ নিয়ে আইনগত বিরোধগুলো নিষ্পত্তি করা দরকার। কারণ এটি পার্বত্য চট্টগ্রামের শান্তি ও স্থিতিশীলতার জন্য গুরুত্বপূর্ণ।
পার্বত্য চট্টগ্রাম আঞ্চলিক পরিষদের সভাপতি জ্যোতিরিন্দ্র বোধিপ্রিয় লারমা বলেছেন, তারা পার্বত্য চট্টগ্রামের জনগণের অধিকার রক্ষার জন্য সংগ্রাম করছেন। তিনি বলেছেন, পার্বত্য চট্টগ্রাম আঞ্চলিক পরিষদ গঠন করা হয়েছে পার্বত্য চট্টগ্রামের জনগণের অধিকার রক্ষার জন্য।
পার্বত্য চট্টগ্রাম আঞ্চলিক পরিষদ নিয়ে আইনগত বিরোধগুলো নিষ্পত্তি করা দরকার। কারণ এটি পার্বত্য চট্টগ্রামের শান্তি ও স্থিতিশীলতার জন্য গুরুত্বপূর্ণ।
সরকারকে পার্বত্য চট্টগ্রাম আঞ্চলিক পরিষদ নিয়ে আইনগত বিরোধগুলো নিষ্পত্তি করার জন্য পদক্ষেপ নিতে হবে। কারণ এটি পার্বত্য চট্টগ্রামের জনগণের অধিকার রক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ।
পার্বত্য চট্টগ্রাম আঞ্চলিক পরিষদ নিয়ে আইনগত বিরোধগুলো নিষ্পত্তি করা দরকার। কারণ এটি পার্বত্য চট্টগ্রামের শান্তি ও স্থিতিশীলতার জন্য গুরুত্বপূর্ণ।
পার্বত্য চট্টগ্রাম আঞ্চলিক পরিষদ নিয়ে আইনগত বিরোধগুলো নিষ্পত্তি করা দরকার। কারণ এটি পার্বত্য চট্টগ্রামের জনগণের অধিকার রক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ।
পার্বত্য চট্টগ্রাম আঞ্চলিক পরিষদ নিয়ে আইনগত বিরোধগুলো নিষ্পত্তি করা দরকার। কারণ এ



