২০২৬ বিশ্বকাপের ড্র অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হবে যুক্তরাষ্ট্রের রাজধানী ওয়াশিংটন ডিসিতে। এই বিশ্বকাপে অংশ নিতে যাওয়া দলগুলোর মধ্যে ছয়টির নাম অবশ্য এখনো চূড়ান্ত হয়নি।
এবারের বিশ্বকাপ হতে যাচ্ছে ইতিহাসের সবচেয়ে বড় বিশ্বকাপ। দলের সংখ্যা ৩২ থেকে বেড়ে হয়েছে ৪৮। আর ম্যাচের সংখ্যা ৬৪ থেকে এক লাফে ১০৪! যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও মেক্সিকো—৩ দেশের ১৬টি ভেন্যুতে বসবে এবারের বিশ্বকাপ আসর।
লিওনেল মেসির আর্জেন্টিনা চাইবে ১৯৬২ সালে ব্রাজিলের পর প্রথম দল হিসেবে শিরোপা ধরে রাখতে, কিন্তু কাজটা সহজ হবে না। ২০২২ বিশ্বকাপের রানার্সআপ ফ্রান্স আছে। আছে বর্তমান ইউরো চ্যাম্পিয়ন স্পেনও।
স্পেন ২০২৪ ইউরোতে লুইস দে লা ফুয়েন্তের নেতৃত্বে ছিল চোখধাঁধানো দল। সাম্প্রতিক সময়ের আন্তর্জাতিক টুর্নামেন্টে এমন আধিপত্য কমই দেখা গেছে। ‘লা রোহা’রা ৭ ম্যাচের ৬টিই জিতেছে নির্ধারিত ৯০ মিনিটে।
স্বাগতিক তিন দলকেও একেবারে উড়িয়ে দেওয়া যাবে না। আবার ম্যানচেস্টার সিটির গোল মেশিন আর্লিং হলান্ডকে নিয়ে গড়া নরওয়েই–বা কি চমক দেখায়, কে জানে!
ড্রয়ের আগেই অপ্টার সুপারকম্পিউটার করেছে বিশ্বকাপ নিয়ে প্রথম ভবিষ্যদ্বাণী। চলুন দেখে নেওয়া যাক সুপারকম্পিউটারের চোখে কোন দলের বিশ্বকাপ জয়ের সম্ভাবনা কতটুকু—
ইংল্যান্ড আর ব্রাজিলও আশায়—তাদের নতুন কোচ টমাস টুখেল ও কার্লো আনচেলত্তি দারুণ কিছু করে দেখাবেন। ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোর পর্তুগালকে হিসাবের বাইরে রাখা কি বুদ্ধিমানের কাজ হবে?
নিউ জার্সির বিখ্যাত মেটলাইফ স্টেডিয়ামে কার মাথায় উঠবে বিশ্বজয়ের মুকুট, এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে শুরু হবে আলোচনা।
স্পেন টানা ৩১টি প্রতিযোগিতামূলক ম্যাচে অপরাজিত (২৫ জয়, ৬ ড্র-টাইব্রেকার বাদে)। ২০১০ থেকে ২০১৩ পর্যন্ত কোচ ভিসেন্তে দেল বস্কের বিখ্যাত ৩০ ম্যাচ অপরাজিত থাকার রেকর্ডকেও ছাড়িয়ে গেছে তারা।
ওই সময়টায় বিশ্বকাপ আর ইউরো দুটিই জিতেছিল স্পেন।
পরবর্তী ম্যাচ বা সূচি উল্লেখ করা যাক।
স্পেন পুরো টুর্নামেন্টে তারা করেছে ১৫ গোল—দ্বিতীয় সর্বোচ্চ গোল করা দলের চেয়ে ৪টি বেশি।
এরপরও গতি কমেনি।



