সাত কলেজের শিক্ষকরা আবারও কর্মবিরতির ডাক দিয়েছেন। তারা বলছেন, নতুন বিশ্ববিদ্যালয় কাঠামো চূড়ান্ত না হওয়ায় ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষে ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থীদের একাডেমিক ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে।
সাত কলেজ স্বাতন্ত্র্য রক্ষা পরিষদের আহ্বায়ক এবং ইডেন মহিলা কলেজের অধ্যাপক মাহফিল আরা বেগমের সই করা এক বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি জানানো হয়েছে। এতে বলা হয়েছে, খসড়া অধ্যাদেশের সীমাবদ্ধতার কারণে ক্লাস শুরু নিয়ে তৈরি হয়েছে আইনি জটিলতা।
সাত কলেজের শিক্ষকরা বলছেন, প্রস্তাবিত বিশ্ববিদ্যালয় মডেল সরকারি কলেজগুলোর সক্ষমতা সংকুচিত করে শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ ও সামগ্রিক শিক্ষাব্যবস্থাকে ঝুঁকির মুখে ফেলতে পারে। আসনসংখ্যা কমে গেলে শিক্ষার্থীরা বাধ্য হয়ে উচ্চ ফি-নির্ভর বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় বা কলেজে ভর্তি হবেন।
এতে শিক্ষার বাণিজ্যিকীকরণ ত্বরান্বিত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। অথচ জাতীয় শিক্ষা নীতি ২০১০ উচ্চশিক্ষার প্রসার বাড়ানোর কথা বলেছে।
সাত কলেজের শিক্ষকরা বলছেন, দেশের ৫৬টি বিশ্ববিদ্যালয়ের কোথাও অধ্যাদেশ, সিলেবাস, অবকাঠামো ও প্রশাসনিক কাঠামো চূড়ান্ত হওয়ার আগে ভর্তির বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের নজির নেই।
সাত কলেজের শিক্ষকরা বলছেন, এই পরিস্থিতির দ্রুত সমাধান না হলে দেশজুড়ে আরও কঠোর কর্মসূচিতে যাওয়ার হুঁশিয়ারিও দিয়েছেন তারা।
শিক্ষার্থীরা এই পরিস্থিতিতে কীভাবে তাদের একাডেমিক ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করতে পারে? সরকার এই বিষয়ে কীভাবে সমাধান করতে পারে? এই প্রশ্নগুলোর উত্তর খুঁজে বের করার জন্য আমাদের সবাইকে একসাথে কাজ করতে হবে।



