ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি রাশিয়ার সাথে শান্তি আলোচনায় তার দেশের সার্বভৌমত্ব ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার উপর জোর দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, এলাকাগত বিষয়টি সবচেয়ে কঠিন। রাশিয়া ইউক্রেনের কাছ থেকে পূর্ব ডোনবাস অঞ্চলের কিছু এলাকা ছেড়ে দিতে চায়, যা ইউক্রেন কখনই মানতে পারবে না।
জেলেনস্কি এই মন্তব্য করেছেন ফ্রান্সের রাজধানী প্যারিসে ফরাসি প্রেসিডেন্ট এমানুয়েল ম্যাক্রোঁর সাথে বৈঠকের পর। এই বৈঠকে ইউরোপীয় নেতারা, যার মধ্যে ছিলেন যুক্তরাজ্য, জার্মানি, পোল্যান্ড ও ইতালির নেতারা, অংশগ্রহণ করেছিলেন।
এদিকে, ইউক্রেন ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের আলোচকরা ফ্লোরিডায় দুই দিনের বৈঠক শেষ করেছেন। তারা একটি শান্তি পরিকল্পনা পরিবর্তন করছেন, যা রাশিয়ার পক্ষে বেশি অনুকূল। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেস সেক্রেটারি ক্যারোলাইন লেভিট বলেছেন, তারা একটি চুক্তি হওয়ার ব্যাপারে খুবই আশাবাদী।
জেলেনস্কি তার সামাজিক মাধ্যমের পোস্টে বলেছেন, আলোচনাগুলো খুবই গঠনমূলক হয়েছে, কিন্তু কিছু কঠিন বিষয় এখনও বাকি আছে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সাথে দেখা করতে যাচ্ছেন। তিনি জেলেনস্কি, ম্যাক্রোঁ, ইউক্রেনের প্রধান আলোচক রুস্তেম উমেরভ এবং যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী কেয়ার স্টারমার সাথে কথা বলেছেন।
গত সপ্তাহে পুতিন বলেছিলেন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র রাশিয়াকে একটি প্রস্তাবিত শান্তি পরিকল্পনা দেখিয়েছে, যা ভবিষ্যতে একটি চুক্তির ভিত্তি হতে পারে। নভেম্বর মাসে প্রচারিত মার্কিন-রাশিয়া প্রস্তাবিত শান্তি পরিকল্পনাটি ইউক্রেন ও ইউরোপে ব্যাপক সমালোচনার মুখে পড়েছিল। এই পরিকল্পনাটি রাশিয়ার দাবিগুলোকে অগ্রাধিকার দিয়েছিল এবং ইউরোপীয় আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোতে জমা করা রাশিয়ার বিপুল পরিমাণ সম্পদের বিনিয়োগ ও ইউক্রেনের ইউরোপীয় ইউনিয়নে প্রবেশের শর্তাবলী নির্ধারণ করেছিল।
এই পরিস্থিতিতে, ইউক্রেন ও রাশিয়ার মধ্যে শান্তি আলোচনা চলছে। ইউক্রেন তার সার্বভৌমত্ব ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে চায়, অন্যদিকে রাশিয়া তার দাবিগুলো পূরণ করতে চায়। এই পরিস্থিতি খুবই জটিল এবং একটি স্থায়ী সমাধান খুঁজে পাওয়া খুবই কঠিন।
ইউক্রেনের সার্বভৌমত্ব ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য, ইউক্রেন ও রাশিয়ার মধ্যে একটি স্থায়ী চুক্তি হওয়া খুবই জরুরি। এই চুক্তিটি ইউক্রেনের সার্বভৌমত্ব ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করবে এবং রাশিয়ার দাবিগুলোকেও বিবেচনা করবে। এই চুক্তি হওয়ার জন্য, ইউক্রেন ও রাশিয়ার মধ্যে আরও আলোচনা প্রয়োজন।
ইউক্রেনের সার্বভৌমত্ব ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য, আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের ভূমিকা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় ইউক্রেন ও রাশিয়ার মধ্যে আলোচনাকে সমর্থন করতে পারে এবং একটি স্থায়ী চুক্তি হওয়ার জন্য সাহায্য করতে পারে।
ইউক্রেনের সার্বভৌমত্ব ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য, ইউক্রেন ও রাশিয়ার মধ্যে একটি স্থায়



