ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরো তার দেশের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের হুমকি মোকাবেলায় ওপেকের সহায়তা চাইছেন। তিনি ওপেকভুক্ত দেশগুলোর উদ্দেশ্যে এক চিঠি পাঠিয়েছেন, যেখানে তিনি অভিযোগ করেছেন যে যুক্তরাষ্ট্র ভেনেজুয়েলার তেল সম্পদ ‘কব্জা’ করতে চাইছে।
মাদুরো তার চিঠিতে বলেছেন, ‘এই আগ্রাসন থামাতে আপনাদের সর্বোত্তম প্রচেষ্টার ওপর আমি ভরসা করছি।’ তিনি আরও বলেছেন, ‘এই হুমকি দিন দিনই বাড়ছে এবং উৎপাদক ও ভোক্তা, উভয় দেশের জন্যই আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজারের ভারসাম্য হুমকির মুখে পড়ছে।’
ওদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প ভেনেজুয়েলার উপরের এবং আশপাশের আকাশসীমা ‘সম্পূর্ণরূপে বন্ধ’ বলে বিবেচনা করা উচিত বলে মন্তব্য করেছেন। এই মন্তব্যের পরে ভেনেজুয়েলার রাজধানী কারাকাসে উদ্বেগ ও বিভ্রান্তি ছড়িয়ে পড়েছে।
মাদুরো সরকার কয়েক মাস ধরে বলে আসছে, ক্যারিবীয় অঞ্চলে ট্রাম্প প্রশাসনের সামরিক উপস্থিতি বাড়ানোর লক্ষ্য ভেনেজুয়েলার তেল ও গ্যাস সম্পদের দিকে পৌঁছানো। ওদিকে, হোয়াইট হাউজ দাবি করেছে, তারা মাদকচক্র দমনের লক্ষ্যেই অভিযান চালাচ্ছে।
ভেনেজুয়েলা ওপেকের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য ছিল। পরবর্তী কয়েক দশক ধরে সদস্য রাষ্ট্রগুলো সরবরাহ নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে বৈশ্বিক তেলের দামে প্রভাব বিস্তার করে আসছে। মাদুরোর চিঠি আসে একদিন পর, যখন ট্রাম্প ভেনেজুয়েলার উপরের এবং আশপাশের আকাশসীমা ‘সম্পূর্ণরূপে বন্ধ’ বলে বিবেচনা করা উচিত বলে মন্তব্য করেন।
এই পরিস্থিতিতে ভেনেজুয়েলা ওপেকের সহায়তা চাইছে। মাদুরো সরকার আশা করছে যে ওপেক তাদের সহায়তা করবে এবং ভেনেজুয়েলার তেল সম্পদ রক্ষা করবে। কিন্তু এই পরিস্থিতির ভবিষ্যত কী হবে তা এখনও অনিশ্চিত।
ভেনেজুয়েলা ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে এই পরিস্থিতি আন্তর্জাতিক সম্পর্কের উপর প্রভাব ফেলবে। এই পরিস্থিতি থেকে বিশ্বের অন্যান্য দেশগুলোও প্রভাবিত হবে। ভেনেজুয়েলা ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে এই পরিস্থিতি কীভাবে সমাধান হবে তা দেখার জন্য সবাই অপেক্ষা করছে।
ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট মাদুরো ওপেকের সহায়তা চাওয়ার মাধ্যমে তার দেশের স্বার্থ রক্ষা করার চেষ্টা করছেন। কিন্তু এই পরিস্থিতির ভবিষ্যত কী হবে তা এখনও অনিশ্চিত। ভেনেজুয়েলা ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে এই পরিস্থিতি আন্তর্জাতিক সম্পর্কের উপর প্রভাব ফেলবে।



