বাংলাদেশের রাজনৈতিক দৃশ্যপটে একটি নতুন জরিপ প্রকাশিত হয়েছে। এই জরিপে দেখা যায়, বর্তমানে বিএনপি ৩৩% সমর্থন নিয়ে এগিয়ে রয়েছে, যার পরেই রয়েছে জামায়াতে ইসলামী যারা ২৯% সমর্থন পেয়েছে।
এই জরিপটি করেছে মার্কিন ভিত্তিক ইন্টারন্যাশনাল রিপাবলিকান ইনস্টিটিউট (আইআরআই)। তাদের সার্ভে অনুযায়ী, জাতীয় নাগরিক পার্টি ৬%, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ৫%, এবং জাতীয় পার্টি ৪% সমর্থন পেয়েছে।
জরিপে আরও দেখা যায়, ১১% উত্তরদাতা তাদের মতামত প্রকাশ করতে অস্বীকার করেছেন, ৭% বলেছেন তারা জানেন না, এবং ২% বলেছেন তারা ভোট দেবেন না। এছাড়াও, ৪১% উত্তরদাতা আওয়ামী লীগের নিবন্ধন স্থগিত করার বিষয়ে শক্তভাবে সমর্থন করেছেন, যখন ২৮% আংশিকভাবে সমর্থন করেছেন।
পরবর্তী নির্বাচনে অংশগ্রহণের উত্সাহ বেশ বেশি দেখা যাচ্ছে। ৪,৯৮৫ জন প্রাপ্তবয়স্ক উত্তরদাতার মধ্যে ৬৬% বলেছেন তারা অনেক সম্ভাবনা ভোট দেবেন, যখন ২৩% বলেছেন তারা আংশিকভাবে অংশগ্রহণ করবেন। আরও ৮০% উত্তরদাতা বিশ্বাস করেন যে নির্বাচন ন্যায্য ও স্বচ্ছ হবে।
সেপ্টেম্বর থেকে অক্টোবর পর্যন্ত ৬৩টি জেলায় পরিচালিত এই জাতীয় সার্ভেটি আরও দেখিয়েছে যে, ৭২% উত্তরদাতা মনে করেন দেশের গণতন্ত্রের অবস্থা ভালো বা আংশিক ভালো, যখন ২৬% মনে করেন এটি খারাপ বা আংশিক খারাপ।
এপ্রিল ২০২৩ সালে, ৫০% উত্তরদাতা বলেছিলেন গণতন্ত্রের অবস্থা ভালো বা আংশিক ভালো, অন্যদিকে ৪৫% বলেছিলেন এটি খারাপ বা আংশিক খারাপ। রাজনৈতিক অভিব্যক্তি নিয়ে প্রশ্ন করা হলে, ২৯% উত্তরদাতা বলেছেন তারা তাদের রাজনৈতিক মতামত স্বচ্ছন্দে প্রকাশ করতে পারেন, যখন ৩৪% বলেছেন তারা আংশিকভাবে স্বচ্ছন্দে প্রকাশ করতে পারেন।
তবে, ৩৫% উত্তরদাতা বলেছেন তারা তাদের রাজনৈতিক মতামত প্রকাশ করার সময় আংশিকভাবে বা অনেক ভয় পান।
এই জরিপের ফলাফল বাংলাদেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতির একটি গুরুত্বপূর্ণ ইঙ্গিত দেয়। এটি দেখায় যে, বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামী দলগুলো জনপ্রিয়তা অর্জন করছে, যখন আওয়ামী লীগের নিবন্ধন স্থগিত করার বিষয়ে উল্লেখযোগ্য সমর্থন রয়েছে।
ভবিষ্যতের রাজনৈতিক প্রভাব বিবেচনা করে, এই জরিপের ফলাফলগুলো গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। এটি দেশের রাজনৈতিক দৃশ্যপটে একটি নতুন মোড় নির্দেশ করতে পারে, যেখানে বিভিন্ন দল তাদের কৌশল পরিবর্তন করতে বাধ্য হবে।
অবশেষে, এই জরিপের ফলাফলগুলো বাংলাদেশের রাজনৈতিক ভবিষ্যত সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য প্রদান করে। এটি দেখায় যে, দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি ক্রমাগত পরিবর্তিত হচ্ছে, এবং বিভিন্ন দলকে তাদের কৌশল পরিবর্তন করতে হবে যাতে তারা জনগণের আস্থা অর্জন করতে পারে।



