রাজশাহীতে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) এক প্রেস কনফারেন্সে সংঘর্ষ বাঁধল। এনসিপির রাজশাহী জেলা সমন্বয়ক সাইফুল ইসলাম সাংবাদিকদের কাছে তার আওয়ামী লীগের সাথে সম্পর্কের অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।
এনসিপির রাজশাহী জেলা সমন্বয়ক সাইফুল ইসলাম রাজশাহী পর্যটন মোটেলে সাংবাদিকদের কাছে তার বক্তব্য রাখছিলেন। এসময় কিছু বিক্ষোভকারী ভবনে প্রবেশ করে সাংবাদিকদের বের হয়ে যাওয়ার জন্য হুমকি দেয়। এতে সাংবাদিকরা প্রতিবাদ করে এবং পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।
পরে পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করে। এনসিপির রাজশাহী জেলা সমন্বয়ক সাইফুল ইসলাম বলেছেন, তার আওয়ামী লীগের সাথে কোনো সম্পর্ক নেই। তিনি বলেছেন, তিনি পূর্বে জিয়া পরিষদের সাথে যুক্ত ছিলেন, পরে রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলনে যোগ দেন এবং পরে এনসিপিতে যোগ দেন।
এনসিপির রাজশাহী শহর সমন্বয়ক মোবাশ্বর আলী বলেছেন, বিক্ষোভকারী শোয়েব আহমেদের দলে কোনো পদ নেই, তবে তিনি বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে জড়িত। তিনি বলেছেন, শোয়েব তরুণ এবং তিনি যা বলেছেন তা ঠিক নয়। তার রাগ আসলে জেলা সমন্বয়ক সাইফুল ইসলামের প্রতি।
এনসিপি রাজশাহী জেলার ১১৪ সদস্যের সমন্বয়ক কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে। এর পর দলের ভিতরে উত্তেজনা বাড়ছে। একজন সদস্য পদত্যাগ করেছেন এবং রবিবার রাতে নিজেদেরকে ‘জুলাই যোদ্ধা’ বলে পরিচয় দেয়া একদল সাংবাদিকদের কাছে এক বিবৃতি দেয়। তারা সাইফুল ইসলামের পদত্যাগ দাবি করে।
এই ঘটনার পর রাজনৈতিক পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে। এনসিপির নেতারা এই ঘটনার নিন্দা জানিয়েছেন এবং দলের ঐক্যের জন্য সবাইকে একত্রিত হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, এই ঘটনা এনসিপির জন্য এক বড় চ্যালেঞ্জ। তাদের বলেছেন, দলটির নেতাদের একত্রিত হওয়া উচিত এবং দলের ঐক্য রক্ষা করা উচিত। তারা আরও বলেছেন, এই ঘটনা রাজনৈতিক পরিস্থিতিকে আরও উত্তপ্ত করে তুলবে এবং দেশের রাজনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য হুমকি সৃষ্টি করবে।
এই ঘটনার পর রাজশাহীতে রাজনৈতিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, এই ঘটনা রাজনৈতিক পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলবে এবং দেশের রাজনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য হুমকি সৃষ্টি করবে। তারা আরও বলেছেন, রাজনৈতিক দলগুলোকে সতর্ক থাকতে হবে এবং দেশের রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা রক্ষা করার জন্য কাজ করতে হবে।



