বাংলাদেশ-ভারত-ভুটান ট্রানজিট চুক্তির আওতায় বুরিমারি স্থলবন্দর দিয়ে পণ্য পরিবহন শুরু হয়েছে। চতুর্থ দিনের বিলম্বনা ও জটিলতার পর থাইল্যান্ড থেকে আগত একটি পণ্যবাহী ট্রাক অবশেষে ভুটানের উদ্দেশ্যে রওনা হয়েছে। এই ঘটনায় বুরিমারি স্থলবন্দরের ব্যবসায়ী ও স্টেকহোল্ডারদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য স্বস্তি লক্ষ্য করা যাচ্ছে।
সোমবার বিকেল ৫টা ৩০ মিনিটের দিকে চট্টগ্রাম বন্দর থেকে আগত একটি কন্টেইনারটি বুরিমারি স্থলবন্দরে পৌঁছায়। প্রয়োজনীয় দলিলপত্র যাচাই-বাছাই করার পর কন্টেইনারটি একটি কার্গো ট্রাকে লোড করা হয় এবং ভারতের কুচবিহার জেলার চাঙ্রাবান্ধা স্থলবন্দরের দিকে পাঠানো হয়। বুরিমারি কাস্টমস ও সি এন্ড এফ এজেন্টস অ্যাসোসিয়েশনের তথ্য মতে, কন্টেইনারটি ২৮ নভেম্বর বুরিমারিতে পৌঁছালেও ভারতের অনুমোদন ছাড়া বাংলাদেশ কাস্টমস পণ্যটি ছেড়ে দিতে পারেনি।
প্রথমত, ভারত ও ভুটানে সরকারি ছুটির দিন থাকায় প্রয়োজনীয় দলিলপত্র পাঠাতে ও প্রক্রিয়াকরণে সময় লেগেছে। দ্বিতীয়ত, বুরিমারি রুটটি সেক্রেটারি-স্তরের ত্রিপাক্ষিক বাণিজ্য চুক্তিতে উল্লেখ করা হয়নি, যার ফলে প্রশাসনিক পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও বিলম্ব হয়েছে। সোমবার বিকেলে ভারতের কলকাতা কাস্টমস চাঙ্রাবান্ধা কাস্টমসের কাছে অনুমোদন দলিল পাঠায়। চাঙ্রাবান্ধা কাস্টমস আনুষ্ঠানিকভাবে বাংলাদেশ কাস্টমসকে অবহিত করার পর কন্টেইনারটি দ্রুত শূন্য রেখার ওপারে পাঠানো হয়।
বুরিমারি সি এন্ড এফ এজেন্টস অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ও বেঙ্কো লিমিটেডের মালিক ফারুক হোসেন বলেন, ভারত ও ভুটানে ছুটির দিন থাকায় এবং বুরিমারি রুটটি বাণিজ্য চুক্তিতে উল্লেখ না থাকায় অনুমোদন পেতে সময় লেগেছে। তিনি আরও বলেন, সমস্ত প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার পর ভারতীয় কাস্টমস অনুমোদন দেয়। বুরিমারি রুটে দীর্ঘ ব্যবধান পর ট্রানজিট পরিবহন শুরু হওয়ায় আমরা আশাবাদী। তিনি জানান, কন্টেইনারটি বর্তমানে ভারতের চাঙ্রাবান্ধা কাস্টমসের তত্ত্বাবধানে রয়েছে এবং মঙ্গলবার এটি ভুটানের পুয়েন অভিমুখে যাত্রা করবে।
বাংলাদেশ-ভারত-ভুটান ট্রানজিট চুক্তির আওতায় বুরিমারি স্থলবন্দর দিয়ে পণ্য পরিবহন শুরু হওয়াকে বাণিজ্যিক খাতে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে। এই চুক্তির মাধ্যমে তিনটি দেশের মধ্যে বাণিজ্য সম্প্রসারণ ও অর্থনৈতিক সহযোগিতা বৃদ্ধি পাবে বলে আশা করা হচ্ছে। বুরিমারি স্থলবন্দর দিয়ে পণ্য পরিবহন শুরু হওয়ার ফলে এই অঞ্চলের ব্যবসায়ী ও স্টেকহোল্ডারদের জন্য নতুন সুযোগ সৃষ্টি হবে।
বাংলাদেশ-ভারত-ভুটান ট্রানজিট চুক্তির আওতায় বুরিমারি স্থলবন্দর দিয়ে পণ্য পরিবহন শুরু হওয়া একটি ইতিবাচক পদক্ষেপ। এই চুক্তির মাধ্যমে তিনটি দেশের মধ্যে বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক সহযোগিতা বৃদ্ধি পাবে। বুরিমারি স্থলবন্দর দিয়ে পণ্য পরিবহন শুরু হওয়ার ফলে এই অঞ্চলের ব্যবসায়ী ও স্টেকহোল্ডারদের জন্য



