ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে সম্পর্ক বর্তমানে উত্তেজনাপূর্ণ। ভারত দক্ষিণ এশিয়ার প্রধান নিরাপত্তা প্রদানকারী হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করতে চায়, কিন্তু তার হস্তক্ষেপ ও নীতিগুলো প্রতিবেশী দেশগুলোর মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি করেছে।
বাংলাদেশ ও ভারত দক্ষিণ এশিয়ায় দীর্ঘদিন ধরে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক বজায় রেখেছে। ভারত ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামে সমর্থন জানিয়েছিল। তারা আওয়ামী লীগ দলকে রাজনৈতিকভাবে সমর্থন করেছিল এবং ঢাকার নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক নীতির ওপর গভীর প্রভাব বিস্তার করেছিল।
২০২৪ সালে, বাংলাদেশের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা একটি ছাত্র-নেতৃত্বাধীন গণবিক্ষোভে ক্ষমতাচ্যুত হন। ভারত তাকে আশ্রয় দেয়, যা বাংলাদেশের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি করে। বাংলাদেশের অন্তর্বর্তীকালীন সরকার ভারতকে শেখ হাসিনাকে হস্তান্তরের অনুরোধ করেছে।
কেনটাকি বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞানী ড. নাজমুস সাকিব বলেন, ‘বাংলাদেশ, শ্রীলঙ্কা ও মালদ্বীপে স্পষ্টতই কর্তৃত্ববাদকে সক্ষম করে তুলেছিল ভারত।’ তার মতে, এর ফলে বাংলাদেশে জনমত ক্রমশ ভারতের বিরুদ্ধে ঝুঁকে পড়ছে।
ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে সম্পর্ক এখন একটি গুরুত্বপূর্ণ পর্যায়ে রয়েছে। ভবিষ্যতে এই সম্পর্কের উপর ভিত্তি করে দুই দেশের মধ্যে কী ধরনের পরিবর্তন আসবে তা দেখার বিষয়।
বাংলাদেশের অন্তর্বর্তীকালীন সরকার ভারতের সাথে সম্পর্ক স্বাভাবিক করার জন্য প্রয়াস করছে। কিন্তু শেখ হাসিনাকে আশ্রয় দেওয়ার কারণে ভারতের সাথে সম্পর্ক আরও খারাপের দিকে যাচ্ছে।
ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে সম্পর্ক স্বাভাবিক করার জন্য উভয় দেশকে একসাথে কাজ করতে হবে। শেখ হাসিনাকে আশ্রয় দেওয়ার বিষয়ে ভারতকে পুনর্বিবেচনা করতে হবে। একমাত্র এভাবেই দুই দেশের মধ্যে সম্পর্ক স্বাভাবিক হবে।



