বিডিআর হত্যাকাণ্ডের বিচার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে হতে পারে বলে জানিয়েছেন ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর তাজুল ইসলাম। তিনি বলেন, বিডিআর হত্যাকাণ্ড সংক্রান্ত অভিযোগ প্রসিকিউশনের কাছে এসেছে। এগুলো যাচাই-বাছাই করা হবে।
চিফ প্রসিকিউটর বলেন, ২০০৯ সালের বিডিআর হত্যাকাণ্ডের বিষয়ে যে অভিযোগ এসেছে, প্রসিকিউশন সেগুলো পর্যালোচনা করবে। অন্তর্বর্তী সরকারের গঠিত জাতীয় স্বাধীন তদন্ত কমিশনের প্রতিবেদনও আমরা পড়ব। যদি মনে হয় ঘটনাটি মানবতাবিরোধী অপরাধ বা আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে বিচার উপযুক্ত, তবে এখানে বিচার হবে।
তাজুল ইসলাম বলেন, কে অপরাধী, কে পরিকল্পনাকারী, কারা মদদদাতা বা সুবিধাভোগী এসব বিষয় উদঘাটন হওয়ায় বিচারের পথ সুগম হয়েছে। তিনি বলেন, প্রধান উপদেষ্টার ফেসবুক পেজে প্রকাশিত প্রতিবেদনের সারসংক্ষেপ দেখে বোঝা যাচ্ছে যে, একটি ‘অসাধারণ কাজ’ হয়েছে।
স্বাধীন বাংলাদেশের রাজধানীতে এতগুলো সামরিক কর্মকর্তাকে হত্যা, যা সেনাবাহিনীর মনোবল ও প্রতিরক্ষা ব্যবস্থায় বড় আঘাত ছিল… তার সঠিক তদন্ত এতদিন আলোর মুখ দেখেনি। এই সরকার সেই বিষয়টি জাতির সামনে তুলে ধরেছে, কারা মাস্টারমাইন্ড, কারা হত্যাকারী, কারা বেনিফিশিয়ারি সবই স্পষ্ট হয়েছে।
চিফ প্রসিকিউটর বলেন, এর মাধ্যমে যারা এতদিন বিচারের বাইরে ছিলেন তাদের বিচার নিশ্চিতের সুযোগ তৈরি হয়েছে। একইসঙ্গে আগের বিচার-প্রক্রিয়ায় কেউ যদি অন্যায়ের শিকার হয়ে থাকেন, সেটিও প্রতিবেদনের মাধ্যমে প্রকাশ পাবে। তাজুল ইসলাম এটিকে বাংলাদেশের ইতিহাসে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি ঘটনা হিসেবে বর্ণনা করেন।
বিডিআর হত্যাকাণ্ডের বিচার নিয়ে আগামী দিনগুলোতে আরও গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা ঘটতে পারে। এই বিচার প্রক্রিয়ায় যারা জড়িত তাদের বিচার নিশ্চিত করা হবে। বাংলাদেশের আইন ব্যবস্থা এই বিচার প্রক্রিয়ায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।
বিডিআর হত্যাকাণ্ডের বিচার নিয়ে দেশব্যাপী আগ্রহ বাড়ছে। এই বিচার প্রক্রিয়ায় যারা জড়িত তাদের বিচার নিশ্চিত করা হবে। বাংলাদেশের আইন ব্যবস্থা এই বিচার প্রক্রিয়ায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।



