দক্ষিণ কোরিয়ায় এক লাখ ২০ হাজার হোম ক্যামেরা হ্যাক করে গোপন ভিডিও বিক্রি করার ঘটনা উদঘাটিত হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, অভিযুক্তরা ইন্টারনেট প্রোটোকল (আইপি) ক্যামেরার দুর্বলতা যেমন- সহজ পাসওয়ার্ড এবং অন্যান্য দুর্বল নিরাপত্তা ব্যবস্থার সুযোগ কাজে লাগিয়ে হ্যাকিং চালাতো।
আইপি ক্যামেরা বা হোম ক্যামেরা সাধারণত বাড়ির নিরাপত্তা, শিশু ও পোষা প্রাণীর নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণের জন্য ব্যবহার করা হয়। হ্যাক হওয়া ক্যামেরার অবস্থান ছিল ব্যক্তিগত বাসা, কারাওকে রুম, শরীরচর্চা কেন্দ্র, স্ত্রীরোগ বিশেষজ্ঞ ক্লিনিকসহ বিভিন্ন সংবেদনশীল স্থান।
দক্ষিণ কোরিয়ার জাতীয় পুলিশ সংস্থার বিবৃতিতে বলা হয়, চার সন্দেহভাজনের মধ্যে সমন্বয় করে হ্যাকের কোনও প্রমাণ পাওয়া যায়নি। তারা বিচ্ছিন্নভাবে এসব অপরাধ চালিয়েছে।
পুলিশ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত ৫৮টি স্থানে ভুক্তভোগীদের সরাসরি গিয়ে বা যোগাযোগ করে অবহিত করেছে এবং দ্রুত পাসওয়ার্ড পরিবর্তনের পরামর্শ দিয়েছে। তারা ভুক্তভোগীদের ফুটেজ মুছে ফেলা ও ব্লক করতে সহায়তা করছে এবং আরও ভুক্তভোগীদের শনাক্তের চেষ্টা করছে।
জাতীয় পুলিশ সংস্থা এক বিবৃতিতে বলেছে, যারা বাসায় বা ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানে আইপি ক্যামেরা ব্যবহার করেন, তাদের সচেতন থাকা ও নিয়মিতভাবে পাসওয়ার্ড পরিবর্তন করাটা সবচেয়ে কার্যকর প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা।
এই ঘটনায় পুলিশ তদন্ত চলছে এবং আরও তথ্য পাওয়া যাচ্ছে। এই ধরনের ঘটনা প্রতিরোধে সবাইকে সচেতন থাকতে হবে এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থা জানাতে হবে।
এই ঘটনার পর থেকে দক্ষিণ কোরিয়ার পুলিশ সংস্থা সতর্ক হয়েছে এবং এই ধরনের ঘটনা প্রতিরোধে কাজ করছে। তারা সবাইকে সচেতন থাকতে বলছে এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থা জানাচ্ছে।
এই ঘটনা থেকে আমরা শিখতে পারি যে, আমাদের নিরাপত্তা ব্যবস্থা সম্পর্কে সচেতন থাকতে হবে এবং এই ধরনের ঘটনা প্রতিরোধে কাজ করতে হবে।



