শ্রীলঙ্কায় ঘূর্ণিঝড় ও বন্যার কারণে মানবিক বিপর্যয় দেখা দিয়েছে। এই পরিস্থিতিতে বাংলাদেশ সরকার জরুরি ত্রাণসামগ্রী ও উদ্ধারকারী দল পাঠাচ্ছে।
আবহাওয়া অনুকূল থাকলে আগামী বুধবার বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর দুটি বিশেষ বিমানে এই মানবিক সহায়তা কলম্বো পাঠানো হবে। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, ঘূর্ণিঝড় ‘ডিটওয়াহ’র প্রভাবে সৃষ্ট আকস্মিক বন্যা ও ভূমিধসে শ্রীলঙ্কায় মানবিক বিপর্যয় দেখা দিয়েছে।
দেশটিতে এখন পর্যন্ত ৩৫৫ জন নিহত ও অন্তত ৩৬৬ জন নিখোঁজ রয়েছেন। ২০ হাজারের বেশি ঘরবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং প্রায় ২ লাখ ১০ হাজার মানুষকে আশ্রয়কেন্দ্রে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।
উদ্ভূত পরিস্থিতিতে শ্রীলঙ্কায় জরুরি অবস্থা জারি করে আন্তর্জাতিক সহায়তা চেয়েছে দেশটির সরকার। এই সহায়তা কার্যক্রমে প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়, পররাষ্ট্র, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ এবং স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে সশস্ত্র বাহিনী বিভাগ সমন্বয় করছে।
এছাড়া বিজিএমইএ ও এসেনশিয়াল ড্রাগস কোম্পানি লিমিটেডও এই ত্রাণ তৎপরতায় যুক্ত রয়েছে। শ্রীলঙ্কার জনগণের জন্য এই সহায়তা একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে।
বাংলাদেশের এই উদ্যোগ আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের মধ্যে একটি ইতিবাচক বার্তা পাঠাচ্ছে। শ্রীলঙ্কার জনগণের পাশে দাঁড়ানোর জন্য বাংলাদেশের এই পদক্ষেপ প্রশংসনীয়।
এই সহায়তা কার্যক্রম শ্রীলঙ্কার জনগণের জন্য একটি নতুন আশার সঞ্চার করবে। বাংলাদেশের এই উদ্যোগ আন্তর্জাতিক সহযোগিতার একটি ভালো উদাহরণ হিসেবে বিবেচিত হবে।
শ্রীলঙ্কার জনগণের জন্য এই সহায়তা কার্যক্রম একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। বাংলাদেশের এই পদক্ষেপ আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের মধ্যে একটি ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে।
শ্রীলঙ্কার জনগণের জন্য এই সহায়তা কার্যক্রম একটি নতুন সুযোগ তৈরি করবে। বাংলাদেশের এই উদ্যোগ আন্তর্জাতিক সহযোগিতার একটি ভালো উদাহরণ হিসেবে বিবেচিত হবে।
শ্রীলঙ্কার জনগণের জন্য এই সহায়তা কার্যক্রম একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে। বাংলাদেশের এই পদক্ষেপ আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের মধ্যে একটি ইতিবাচক বার্তা পাঠাচ্ছে।
শ্রীলঙ্কার জনগণের জন্য এই সহায়তা কার্যক্রম একটি নতুন আশার সঞ্চার করবে। বাংলাদেশের এই উদ্যোগ আন্তর্জাতিক সহযোগিতার একটি ভালো উদাহরণ হিসেবে বিবেচিত হবে।
শ্রীলঙ্কার জনগণের জন্য এই সহায়তা কার্যক্রম একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। বাংলাদেশের এই পদক্ষেপ আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের মধ্যে একটি ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে।
শ্রীলঙ্কার জনগণের জন্য এই সহায়তা কার্যক্রম একটি নতুন সুযোগ তৈরি করবে। বাংলাদেশের এই উদ্যোগ আন্তর্জাতিক সহযোগিতার একটি ভালো উদাহরণ হিসেবে বিবেচিত হবে।
শ্রীলঙ্কার জনগণের জন্য এই সহায়তা কার্যক্রম একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে। বাংল



