ইসরায়েলের তেল আবিবে পর্তুগিজ দূতাবাসের সামনে হাজার হাজার অবৈধ বসতি স্থাপনকারী ইসরায়েলি দীর্ঘ সারি দেখা গেছে। তারা পর্তুগিজ নাগরিকত্ব পেতে বা তাদের পর্তুগিজ পাসপোর্ট নবায়নের জন্য নিবন্ধন করতে এসেছে।
পর্তুগালে ২০১৫ সালে প্রত্যাবর্তন আইন পাস হওয়ার পর থেকে বসতি স্থাপনকারীদের মধ্যে পর্তুগিজ নাগরিকত্বের উচ্চ চাহিদা তীব্রতর হয়েছে। ইসরায়েলের অনেক বাসিন্দা নিরাপত্তার স্বার্থে এবং ইউরোপীয় দেশগুলোতে চলাচলের স্বাধীনতার জন্য ইইউ পাসপোর্ট চাইছেন।
পর্তুগিজ নাগরিকত্ব অর্জন কেবল ইসরায়েলিদের ইইউ দেশগুলোতে ভ্রমণ করাকেই সহজ করে না। বরং উন্নত অর্থনৈতিক ও শিক্ষাগত অবস্থার সন্ধানকারীদের জন্যও আকর্ষণীয়। কারণ অধিকৃত অঞ্চল তথা ইসরায়েলের তুলনায় পর্তুগালে কর এবং জীবনযাত্রার খরচ কম।
ইসরায়েলি গণমাধ্যম জানিয়েছে, ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর ফিলিস্তিনি স্বাধীনতাকামী সংগঠন হামাসের ইসরায়েলে অভিযানের পর ওই ভুখণ্ডের নিরাপত্তা পরিস্থিতিকে ব্যাপকভাবে চাপে ফেলে। এ কারণেই এই আবেদনের ঘটনা বৃদ্ধি পেয়েছে।
পর্তুগিজ দূতাবাসের পক্ষ থেকে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে ইসরায়েলিদের অনেক অনুরোধের পর। পূর্বে দূতাবাসের অনলাইন সিস্টেম আবেদনের ভারে উপচে পড়েছিল এবং অনেক আবেদনকারী অ্যাপয়েন্টমেন্ট নিতে পারেননি।
এই আয়োজনটি বিশেষ করে দূতাবাসের ব্যস্ত অনলাইন সিস্টেমের পরিবর্তে ব্যক্তিগতভাবে অ্যাপয়েন্টমেন্ট নির্ধারণের জন্য একটি বিশেষ দিন ঘোষণার পরিকল্পনাকে ব্যাপকভাবে স্বাগত জানানো হয়েছে।



