19 C
Dhaka
Friday, January 30, 2026
Google search engine
Homeখেলাধুলামাহিদুল ইসলাম অঙ্কনকে নিয়ে তামাশা

মাহিদুল ইসলাম অঙ্কনকে নিয়ে তামাশা

বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের নির্বাচকদের সঙ্গে টিম ম্যানেজমেন্টের সমন্বয়হীনতা, দূরত্ব, যোগাযোগের ঘাটতি ও আরও অনেক কিছু ফুটে উঠেছে মাহিদুল ইসলাম অঙ্কনকে প্রশ্নবিদ্ধভাবে দলে নেওয়া ও না খেলানোর এই ঘটনাপ্রবাহে।

সিরিজের শুরুতে ব্যাপারটি নিয়ে ছিল ধাঁধা। শেষ ম্যাচের আগে সেটির জট খোলা তো দূরের কথা, ব্যাপারটি আর ধাঁধার পর্যায়েই নেই। মাহিদুল ইসলাম অঙ্কনকে নিয়ে যা হলো, সেটিকে বলা যায় স্রেফ তামাশা।

আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে বাংলাদেশের দল ঘোষণার পর যে ক্রিকেটারকে নিয়ে ছিল আলোচনা, প্রধান নির্বাচক গাজী আশরাফ হোসেন যাকে নিয়ে বলেছিলেন ‘এখন না খেলালে আর কবে…’, সেই ক্রিকেটারকে প্রথম দুই ম্যাচে খেলানোই হলো না। এটা তামাশা নয় তো কী!

শামীম হোসেনকে দলে না রাখায় সিরিজ শুরুর আগের দিন লিটন কুমার দাসের ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়ায় ফুটে উঠেছিল দল নির্বাচন নিয়ে সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর মধ্যে সমন্বয়হীনতা, দূরত্ব, যোগাযোগের ঘাটতি, এমনকি জেদাজেদিসহ অনেক কিছুই। মাহিদুলের ক্ষেত্রেও এখন প্রকাশ্য হয়ে উঠেছে সেসবই।

শেষ টি-টোয়েন্টির একাদশেও তার জায়গা পাওয়ার সম্ভাবনা সামান্য। তবে কোনোভাবে তিনি ম্যাচটি খেলে ফেললেও প্রশ্ন বদলাবে না। প্রশ্নটি হলো, কেন মাহিদুলকে দলে নেওয়া হলো?

উত্তর খুঁজতে সিরিজের শুরুতে ফিরে যাওয়া যাক। তাকে দলে নেওয়ার কারণ ব্যাখ্যায় প্রধান নির্বাচক বলেছিলেন, “চার-পাঁচে সোহান-জাকের আলির কেউ কমফরটেবল না। চার-পাঁচের জন্য তো কাউকে তৈরি করতে হবে। অঙ্কনকে এই সিরিজে যদি না খেলাই… সামনে হঠাৎ যদি কোনো ইনজুরি হয়ে যায়, সে আমাদের একজন বিকল্প হতে পারে। এখন না খেলালে তাকে কবে খেলাব!”

প্রধান নির্বাচকের কথায় ফুটে উঠেছিল, মাহিদুলকে এই সিরিজে খেলানো শুধু জরুরিই নয়, বরং অতিআবশ্যক। বিশ্বকাপের আগে বাংলাদেশের শেষ সিরিজ এটি এবং এখানেই তাকে বাজিয়ে দেখার শেষ সুযোগ।

এখানেও প্রশ্নের অবকাশ রয়ে যায়। চার-পাঁচ নম্বর পজিশনে যদি কাউকে পরখ করে দেখতেই হয়, তাহলে আরও ছয় মাস বা অন্তত তিন মাস আগে কেন নয়! গত এক বছর ধরেই প্রশ্নটি নানা সময়ে উঠেছে বিভিন্ন সংবাদ সম্মেলনে। নির্বাচকরা, কোচ-অধিনায়করা তখন সেটিকে খুব পাত্তা দেননি। এখন বিশ্বকাপের আগে শেষ সিরিজ তো বড় পরীক্ষার জায়গা হওয়ার কথা নয়। এখানে শেষ সময়ের টুকটাক ঘাটতিগুলো ঝালাই করার কথা। অথচ এখানে এসেই নির্বাচকদের মনে পড়েছে মাহিদুলের কথা।

যাহোক, নির্বাচকদের মনে পড়লেও টিম ম্যানেজমেন্টের হয়তো মনে ধরেনি তাকে। একাদশ নির্বাচনে টুকটাক সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে মনে হয়। এই সিদ্ধান্তের পেছনে কী কারণ থাকতে পারে তা এখনো অজানা। তবে একটা বিষয় নিশ্চিত যে মাহিদুল ইসলাম অঙ্কনকে নিয়ে যা হলো, সেটিকে বলা যায় স্রেফ তামাশা।

৮৫/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: বিডিনিউজ২৪
ক্রীড়া প্রতিবেদক
ক্রীড়া প্রতিবেদক
AI-powered খেলাধুলা content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments