নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় এক যুবকের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। নিহত যুবকের নাম সুমন খলিফা। তিনি একজন বাউল গানের শিল্পীর স্বামী।
সোমবার সকালে কাশীপুর ইউনিয়নের মধ্য নরসিংহপুর এলাকায় সড়কের উপর থেকে সুমনের রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়। ফতুল্লা মডেল থানার ওসি আনোয়ার হোসেন এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
সুমনের স্ত্রী সোনিয়া আক্তার একজন বাউল গানের শিল্পী। তারা সিদ্ধিরগঞ্জের মৌচাক এলাকায় ভাড়া বাসায় থাকেন। গত রাতে সুমনের সঙ্গেই ফতুল্লার পঞ্চবটি এলাকায় একটি গানের অনুষ্ঠানে গিয়েছিলেন সোনিয়া। রাত সাড়ে ১০টার দিকে তাকে অনুষ্ঠানে রেখে বেরিয়ে যান সুমন।
পুলিশ জানায়, নিহতের শরীরের মাথার পেছনে, পিঠে এবং কোমড়ে ধারালো অস্ত্রের আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে। ফতুল্লা মডেল থানার ওসি আনোয়ার হোসেন বলেছেন, এটি একটি হত্যাকাণ্ড। কিন্তু হত্যাকাণ্ডের পেছনের কারণ এবং কারা জড়িত তা এখনো শনাক্ত করা যায়নি।
পুলিশ পরিবারের লোকজনের সঙ্গে কথাবার্তা চালাচ্ছে। দ্রুতই জড়িতদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনা হবে। মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য নারায়ণগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালের মর্গে রয়েছে।
এই ঘটনায় পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে। পুলিশ জানতে চাইছে কে এই হত্যাকাণ্ডে জড়িত। পুলিশ আশা করছে যে দ্রুতই জড়িতদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনা হবে।
নারায়ণগঞ্জের এই হত্যাকাণ্ডে পুলিশ সতর্কতা বাড়িয়েছে। পুলিশ জনগণকে সতর্ক থাকার পরামর্শ দিচ্ছে। পুলিশ আশা করছে যে জনগণ পুলিশকে সহযোগিতা করবে এই হত্যাকাণ্ডের তদন্তে।
এই ঘটনায় নারায়ণগঞ্জের জনগণ শোকস্তব্ধ। জনগণ পুলিশকে সহযোগিতা করছে এই হত্যাকাণ্ডের তদন্তে। পুলিশ আশা করছে যে দ্রুতই জড়িতদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনা হবে।
পরবর্তী আদালত/তদন্ত পরিস্থিতি জানার জন্য আমরা পুলিশের সঙ্গে যোগাযোগ করছি। আমরা আশা করছি যে দ্রুতই জড়িতদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনা হবে।
সংবেদনশীল বিষয়ে সতর্কতা বজায় রাখা হচ্ছে। আমরা জনগণকে সতর্ক থাকার পরামর্শ দিচ্ছি। আমরা আশা করছি যে জনগণ পুলিশকে সহযোগিতা করবে এই হত্যাকাণ্ডের তদন্তে।



