পিলখানায় সংঘটিত নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনা তদন্তে গঠিত জাতীয় স্বাধীন তদন্ত কমিশন প্রধান উপদেষ্টার কাছে প্রতিবেদন জমা দেওয়ার পর নিহত সেনা কর্মকর্তাদের স্বজনেরা সন্তুষ্টির কথা জানিয়েছেন। তবে তাঁরা এই ঘটনায় জড়িতদের সবার নাম প্রকাশ না করায় হতাশ বোধ করছেন।
নিহত সেনা কর্মকর্তাদের স্বজনেরা সম্পূর্ণ প্রতিবেদন প্রকাশ করার পাশাপাশি দোষী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন। তাঁরা আরও জানিয়েছেন যে, তাঁরা সাক্ষ্য দিতে গিয়ে নানামুখী সামাজিক ও অনলাইন হয়রানির শিকার হয়েছেন এবং এখন নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন।
পিলখানায় নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনা তদন্তে গঠিত জাতীয় স্বাধীন তদন্ত কমিশন গতকাল রোববার বিকেলে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের কাছে তাদের প্রতিবেদন জমা দেয়। ২০০৯ সালের ২৫ ও ২৬ ফেব্রুয়ারি তৎকালীন সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিডিআর) (বর্তমানে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ-বিজিবি) সদর দপ্তরে নৃশংস এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ১১ মাস ধরে তদন্ত করে প্রতিবেদন তৈরি করে এই কমিশন।
কমিশনের সভাপতি মেজর জেনারেল (অব.) আ ল ম ফজলুর রহমান সংবাদ সম্মেলনে তদন্ত প্রতিবেদনের বিভিন্ন বিষয় তুলে ধরেন। প্রতিবেদন জমা দেওয়ার এক দিন পর আজ নিহত সেনা কর্মকর্তাদের স্বজনেরা সংবাদ সম্মেলন করলেন।
সংবাদ সম্মেলনে লেফটেন্যান্ট কর্নেল লুৎফর রহমান খানের মেয়ে ডা. ফাবলিহা বুশরা বলেন, কমিশনের প্রধান জেনারেল ফজলুর রহমান গতকাল বলেছেন, প্রতিবেদনটি ‘ক্ল্যাসিফায়েড’ নয় এবং পরে জনসমক্ষে প্রকাশ করা হবে। শহীদ পরিবারের আহ্বান, প্রক্রিয়াটিতে বিলম্ব না করে দ্রুত বিচার বিভাগে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ পাঠানো, সম্ভাব্য অভিযুক্ত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা, যেমন ট্রাভেল ব্যান নিশ্চিত করা এবং তদন্ত প্রতিবেদন প্রকাশ করা।
ঢাকার পিলখানায় নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনা তদন্তে বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকার গঠিত জাতীয় স্বাধীন তদন্ত কমিশন গতকাল রোববার বিকেলে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের কাছে তাদের প্রতিবেদন জমা দেয়। ২০০৯ সালের ২৫ ও ২৬ ফেব্রুয়ারি তৎকালীন সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিডিআর) (বর্তমানে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ-বিজিবি) সদর দপ্তরে নৃশংস এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ১১ মাস ধরে তদন্ত করে প্রতিবেদন তৈরি করে এই কমিশন।
এই ঘটনায় নিহত সেনা কর্মকর্তাদের স্বজনেরা আশা করছেন যে, প্রতিবেদনটি প্রকাশিত হলে তাঁরা ন্যায়বিচার পাবেন। তাঁরা আরও জানিয়েছেন যে, তাঁরা সরকারের কাছে আশা করছেন যে, তাঁরা দ্রুত বিচার বিভাগে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেবেন এবং দোষী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেবেন।
নিহত সেনা কর্মকর্তাদের স্বজনেরা আরও জানিয়েছেন যে, তাঁরা এই ঘটনায় জড়িতদের নাম প্রকাশ করার জন্য সরকারের কাছে আবেদন জানাচ্ছেন। তাঁরা আশা করছেন যে, সরকার তাঁদের আবেদন বিবেচনা করবে এবং দ্রুত বিচার বিভাগে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেবে।
এই ঘটনায় নিহত সেনা কর্মকর্তাদের স্বজনেরা আরও জানি



