ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার সোমবার দেশটির সামাজিক নিরাপত্তা ব্যবস্থার সংস্কার সংক্রান্ত একটি নতুন উদ্যোগ ঘোষণা করতে যাচ্ছেন। এই সংস্কারের লক্ষ্য হলো দেশের কল্যাণ ব্যবস্থাকে আরও কার্যকর এবং দক্ষ করে তোলা।
গত গ্রীষ্মে, স্টারমারের সরকার একটি সামাজিক নিরাপত্তা সংস্কার প্রস্তাব করেছিল, কিন্তু তার নিজের দলের বিদ্রোহী সদস্যদের বাধার মুখে তা আটকে যায়। এই নতুন উদ্যোগের মাধ্যমে, স্টারমার তার সরকারের অর্থনৈতিক নীতি রক্ষা করতে চান এবং সামাজিক নিরাপত্তা সংস্কারের প্রসঙ্গে ফিরে আসতে চান।
স্টারমার বলবেন, কল্যাণ রাষ্ট্র মানুষকে শুধু দারিদ্র্যে নয়, কর্মহীনতার ফাঁদেও ফেলছে। তিনি তরুণদের জন্য শিক্ষানবিশ কর্মসূচিতে বিনিয়োগের ঘোষণা দিয়ে বলবেন, আমাদের কল্যাণ রাষ্ট্রকেও সংস্কার করতে হবে।
ব্রিটেনে বর্তমানে রেকর্ড সংখ্যক তরুণ দীর্ঘমেয়াদি অসুস্থতার কারণে কর্মবাজারের বাইরে রয়েছে। স্টারমার বলবেন, যদি কাউকে শুধু নিউরোডাইভারজেন্ট বা প্রতিবন্ধী হওয়ার কারণে বাদ দেওয়া হয়, তবে তারা দশকের পর দশক কর্মহীনতা ও নির্ভরতার চক্রে আটকে যায়।
স্টারমারের এই নতুন উদ্যোগ ব্রিটেনের রাজনৈতিক দৃশ্যপটে একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা হতে যাচ্ছে। এই সংস্কারের মাধ্যমে, স্টারমার তার সরকারের অর্থনৈতিক নীতি রক্ষা করতে চান এবং সামাজিক নিরাপত্তা সংস্কারের প্রসঙ্গে ফিরে আসতে চান।
এই সংস্কারের ফলে ব্রিটেনের কল্যাণ ব্যবস্থায় উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন আসতে পারে। স্টারমারের এই উদ্যোগ ব্রিটেনের রাজনৈতিক দৃশ্যপটে একটি নতুন অধ্যায়ের সূচনা করতে যাচ্ছে।



