জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রদের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে প্রকল্প কার্যালয়ে তালা দেওয়া হয়েছে। নতুন ছয়টি হল নির্মাণ প্রকল্পে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার দাবিতে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
জাহাঙ্গীরনগর কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদ ও হল সংসদের প্রতিনিধিরা সোমবার সকাল ৯টার দিকে প্রকল্প কার্যালয়ে তালা দেন। তারা প্রকল্পগুলোর সম্পূর্ণ রিপোর্ট প্রকাশ না করা পর্যন্ত তালা না খোলার ঘোষণা দেন।
শিক্ষার্থীরা জানান, ২১ নম্বর ছাত্র হল, তাজউদ্দীন আহমদ হল, জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম হল, বীরপ্রতীক তারামন বিবি হল, ফজিলতুন্নেসা হল ও রোকেয়া হলের প্রকল্প–সংশ্লিষ্ট নথিপত্র প্রকাশ করতে হবে। তাঁদের দাবিকৃত নথির মধ্যে রয়েছে—সয়েল টেস্ট রিপোর্ট, স্ট্রাকচারাল ডিজাইন, অথোরিটি এপ্রুভাল শিট, আর্থিক হিসাব।
জাহাঙ্গীরনগর কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদের কার্যকরী সদস্য মোহাম্মদ আলী চিশতী বলেন, ‘বিগত সময়ে আমাদের নতুন যে ছয়টি হলে বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন দুর্নীতির কথা উঠে এসেছে। হলগুলো ব্যবহার শুরু করার পর দেখেছি, ছাদ দিয়ে পানি পড়ে, পাশাপাশি সাম্প্রতিক ভূমিকম্পে দেয়ালে ফাটল দেখা দিয়েছে। কর্মচারী সংকটসহ নানা সমস্যায় ভুগছে হলগুলো।’
এ বিষয়ে অধিকতর উন্নয়ন প্রকল্পের পরিচালক (পিডি) নাসিরুদ্দিনের সঙ্গে মোবাইল ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও সংযোগ পাওয়া যায়নি।
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা তাদের দাবির বিষয়ে সচেতন। তারা চায় তাদের হলগুলোতে স্বচ্ছতা ও সুশাসন নিশ্চিত করা হোক। তারা আশা করছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন তাদের দাবি মেনে নেবে এবং স্বচ্ছতা নিশ্চিত করবে।
শিক্ষার্থীদের দাবি মেনে নেওয়া হলে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা উপকৃত হবে। তারা স্বচ্ছতা ও সুশাসনের মধ্যে লেখাপড়া করতে পারবে। এটি বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য একটি ভালো উদাহরণ হবে।
পাঠকদের জন্য প্রশ্ন: আপনি কি মনে করেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের দাবি মেনে নেওয়া উচিত? আপনি কি মনে করেন স্বচ্ছতা ও সুশাসন শিক্ষাঙ্গনে কীভাবে নিশ্চিত করা যায়?



