ফেসবুকে আওয়ামী লীগ সমর্থক প্রায় এক হাজার অ্যাকাউন্ট চিহ্নিত করা হয়েছে। এসব অ্যাকাউন্ট বিভিন্ন ফেসবুক পেজে নেতিবাচক রিভিউ দিয়ে সেগুলোর রেটিং কমিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করছে। এই অ্যাকাউন্টগুলো আওয়ামী লীগ সমর্থক পেজ, ভারতীয় গণমাধ্যমের পেজ এবং ভারতীয় জনতা পার্টির একজন রাজনীতিকের ফেসবুক প্রোফাইলে ইতিবাচক রিভিউ দিয়েছে।
এই অ্যাকাউন্টগুলো কলকাতাভিত্তিক এবিপি আনন্দ এবং রিপাবলিক বাংলার পেজেও ইতিবাচক রিভিউ দিয়েছে। জি ২৪ ঘণ্টার পেজেও বেশ কিছু অ্যাকাউন্ট ইতিবাচক রিভিউ দিয়েছে। এই চক্রের প্রতিদ্বন্দ্বী একটি চক্রও খুঁজে পেয়েছে ডিসমিসল্যাব। তবে এরা ছোট ও কম সমন্বিত বলে উল্লেখ করেছে ডিসমিসল্যাব।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের তথ্যপ্রযুক্তি ইনস্টিটিউটের পরিচালক অধ্যাপক বি এম মইনুল হোসেন বলেছেন, সামাজিক মাধ্যমে এ ধরনের ভুয়া রিভিউর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে ফেসবুকের মূল কোম্পানি মেটার ওপর চাপ বাড়ানোর পরামর্শ দেন। তিনি বলেন, এ ধরনের মেটা নিয়ন্ত্রণ করতে পারে না। যতক্ষণে তারা ব্যবস্থা নেওয়ার উদ্যোগ শুরু করে, ততক্ষণে ক্ষতি যা হওয়ার হয়ে যায়।
এই চক্রের প্রকৃত পরিসর জানতে আরও গবেষণা প্রয়োজন মনে করে ডিসমিসল্যাব। এদের প্রতিদ্বন্দ্বী চক্রটি খুঁজে পেয়েছে ডিসমিসল্যাব। তবে এরা ছোট ও কম সমন্বিত বলে উল্লেখ করেছে ডিসমিসল্যাব। এই চক্রের প্রতিদ্বন্দ্বী চক্রটি খুঁজে পেয়েছে ডিসমিসল্যাব। তবে এরা ছোট ও কম সমন্বিত বলে উল্লেখ করেছে ডিসমিসল্যাব।
ডিজিটালি রাইটের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মিরাজ আহমেদ চৌধুরী বলেছেন, মানুষের মধ্যে সচেতনতা বাড়াতে বিষয়গুলো নিয়ে বেশি বেশি আলোচনার প্রয়োজন রয়েছে। তিনি বলেন, রেটিং কমে গেলে নতুন ব্যবহারকারীরা অনেক সময় ওই পেজের ওপর আস্থা রাখতে পারে না। তাঁরা বিভ্রান্ত হন।
বাংলাদেশ থেকেও এমন ঘটনা প্রতিরোধে ব্যবস্থা নিতে হবে বলে মনে করেন অধ্যাপক বি এম মইনুল হোসেন। তিনি বলেন, ইউরোপীয় ইউনিয়ন, অস্ট্রেলিয়ার মতো দেশগুলো এমন ঘটনায় মেটাকে চাপে রাখে। এমনকি পার্শ্ববর্তী দেশ ভারত থেকেও এ বিষয়গুলোকে গুরুত্বের সঙ্গে মেটাকে জানানো হয়।



