পাবনার ঈশ্বরদীতে বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এই সংঘর্ষের সময় অস্ত্র হাতে গুলি ছোঁড়া যুবকটি জামায়াতের কর্মী বলে পুলিশ জানিয়েছে।
পুলিশের ওসি আ স ম আব্দুর নূর এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেছেন, দুই পক্ষই পরস্পরের বিরুদ্ধে অভিযোগ করে মামলা করেছে। পুলিশ এই মামলার বিষয়ে তদন্ত করছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে ঈশ্বরদী উপজেলার চর গড়গড়ি গ্রামে জামায়াত প্রার্থীর একটি নির্বাচনী প্রচারণাকে কেন্দ্র করে জামায়াত-বিএনপি সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে।
এই সংঘর্ষের ঘটনায় দায়ের করা পাল্টাপাল্টি দুই মামলায় উভয়দলের পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এর আগে, শনিবার রাতে অভিযান চালিয়ে জামায়াতের দুইজন এবং বিএনপির তিনজন কর্মীকে আটক করা হয়।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সাহাপুর ইউনিয়ন কৃষকদলের আহ্বায়ক মক্কেল মৃধার ছেলে ও ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দলের সাধারণ সম্পাদক বাঁধন হাসান আলিম বাদী হয়ে ৩২ জন জামায়াত নেতার নাম উল্লেখ করে ঈশ্বরদী থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।
অপরদিকে, ঈশ্বরদী উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি সাইদুল ইসলাম বাদী হয়ে একই থানায় ৩৮ জন বিএনপির নেতাকর্মীর নাম উল্লেখ করে অপর মামলাটি দায়ের করেন। মামলায় প্রধান আসামি করা হয়েছে সাহাপুর ইউনিয়ন কৃষকদলের আহ্বায়ক মক্কেল মৃধাকে।
পুলিশ জানিয়েছে, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এলাকায় পুলিশি টহল জোরদার করা হয়েছে। আইনি প্রক্রিয়া অনুযায়ী আসামিদের গ্রেপ্তার করা হচ্ছে।
এই ঘটনায় আইনি প্রক্রিয়া চলছে। পরবর্তী আদালত/তদন্ত পরিস্থিতি জানানো হবে।



