এশিয়ার কারখানাগুলি নভেম্বর মাসে ধীরগতির মধ্যে পড়েছে, যা কারখানার কার্যক্রমে পতনের দিকে নিয়ে গেছে। মার্কিন বাণিজ্য চুক্তির অগ্রগতি চাহিদা বৃদ্ধির দিকে পরিচালিত করতে পারেনি। এশিয়ার বিভিন্ন দেশের কারখানার কার্যক্রমের পরিসংখ্যান দেখায় যে চীন, জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া এবং তাইওয়ানে কারখানার কার্যক্রম হ্রাস পেয়েছে, যখন দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার অর্থনীতিতে বৃদ্ধি দেখা যাচ্ছে।
চীনে, বিশ্বের বৃহত্তম প্রস্তুতকারক দেশ, কারখানার কার্যক্রম আবার সংকুচিত হয়েছে। চীনের বন্দরগুলিতে কন্টেইনার পরিবহন গত মাসে অক্টোবরের তুলনায় খুব একটা পরিবর্তন হয়নি। চাহিদা বৃদ্ধি পেলেও, এটি উৎপাদনকে সমর্থন করতে পারেনি, কারণ ইনভেন্টরি স্তর ইতিমধ্যেই খুব বেশি।
ক্যাপিটাল ইকোনোমিক্সের একজন অর্থনীতিবিদ বলেছেন, এশিয়ার অধিকাংশ দেশের রফতানি গত কয়েক মাসে বৃদ্ধি পেয়েছে। তাই, এই অঞ্চলের রফতানি-নির্ভর শিল্পের স্বল্পমেয়াদী দৃষ্টিভঙ্গি অনুকূল।
জাপানের কারখানার কার্যক্রম দেখায় যে নতুন অর্ডার কমে যাচ্ছে, যা দুই বছরেরও বেশি সময় ধরে চলছে। এটি বিশ্বব্যাপী মন্দার কারণে হচ্ছে।
মার্কিন রাষ্ট্রপতি ডোনাল্ড ট্রাম্পের বাণিজ্য চুক্তি এশিয়ার দেশগুলিকে অনিশ্চয়তার মধ্যে ফেলে দিয়েছে। যদিও ট্রাম্পের জাপান ও দক্ষিণ কোরিয়ার সাথে বাণিজ্য চুক্তি এবং চীনের সাথে সংঘর্ষ কমিয়েছে, তবুও অনেক কোম্পানি নতুন বাণিজ্য ব্যবস্থার সাথে খাপ খাইয়ে নিতে সংগ্রাম করছে।
এশিয়ার কারখানাগুলির ভবিষ্যত অনিশ্চিত। মার্কিন বাণিজ্য নীতি এবং বিশ্বব্যাপী অর্থনৈতিক পরিস্থিতি এই অঞ্চলের শিল্পের উপর উল্লেখযোগ্য প্রভাব ফেলবে।
এই পরিস্থিতিতে, এশিয়ার দেশগুলিকে তাদের অর্থনীতিকে বৈচিত্র্যময় করার এবং রফতানি-নির্ভর শিল্পের উপর নির্ভরতা কমানোর প্রয়োজন। এটি তাদের অর্থনীতিকে আরও স্থিতিশীল এবং টেকসই করে তুলবে।
সবশেষে, এশিয়ার কারখানাগুলির ভবিষ্যত নিয়ে উদ্বেগ রয়েছে। মার্কিন বাণিজ্য নীতি এবং বিশ্বব্যাপী অর্থনৈতিক পরিস্থিতি এই অঞ্চলের শিল্পের উপর উল্লেখযোগ্য প্রভাব ফেলবে। এই অঞ্চলের দেশগুলিকে তাদের অর্থনীতিকে বৈচিত্র্যময় করার এবং রফতানি-নির্ভর শিল্পের উপর নির্ভরতা কমানোর প্রয়োজন।



