সিঙ্গাপুরে গত সপ্তাহে তিনজনকে মাদক অপরাধের জন্য মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়েছে। এটি এই বছর মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করার সংখ্যা ১৭ তে নিয়ে এসেছে, যা ২০০৩ সালের পর থেকে সর্বোচ্চ।
সিঙ্গাপুরের মাদক আইন বিশ্বের কঠোরতম আইনগুলোর মধ্যে অন্যতম। এই আইন অনুসারে, যে কেউ ১৫ গ্রামের বেশি ডায়ামরফিন, ৩০ গ্রামের বেশি কোকেইন, ২৫০ গ্রামের বেশি মেথামফেটামিন এবং ৫০০ গ্রামের বেশি ক্যানাবিস বহন করে বা বিতরণ করে, তাকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হবে।
সিঙ্গাপুরের সাতজন সক্রিয় কর্মী মাদক অপরাধে মৃত্যুদণ্ডের বিরুদ্ধে একটি সাংবিধানিক চ্যালেঞ্জ দায়ের করেছেন। তারা যুক্তি দেখাচ্ছেন যে মাদক অপরাধে মৃত্যুদণ্ড সাংবিধানিক অধিকার লঙ্ঘন করে।
সিঙ্গাপুর সরকার যুক্তি দেখাচ্ছে যে মৃত্যুদণ্ড বাতিল করলে আরও গুরুতর পরিণতি হতে পারে। এর মধ্যে রয়েছে আরও গুরুতর অপরাধ, সহিংসতা, মাদক-সম্পর্কিত মৃত্যু, যার মধ্যে নির্দোষ শিশুদের মৃত্যুও অন্তর্ভুক্ত।
গত বুধবার এবং বৃহস্পতিবার যারা মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়েছে তাদের মধ্যে একজন হলেন লজিস্টিকস ড্রাইভার সামিনাথন সেলভারাজু। তিনি ২০১৩ সালের ২১শে নভেম্বর মালয়েশিয়া থেকে সিঙ্গাপুরে ৩০১.৬ গ্রাম ডায়ামরফিন পরিবহন করার জন্য দোষী সাব্যস্ত হয়েছিলেন।
সিঙ্গাপুরে মাদক অপরাধে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা নিয়ে বিতর্ক চলছে। কেউ কেউ যুক্তি দেখাচ্ছেন যে মৃত্যুদণ্ড মাদক অপরাধ রোধে কার্যকর, অন্যদিকে অনেকে যুক্তি দেখাচ্ছেন যে এটি মানবাধিকারের লঙ্ঘন।
সিঙ্গাপুরের মাদক আইন সম্পর্কে আরও তথ্য পাওয়া যাবে সিঙ্গাপুর সরকারের ওয়েবসাইটে। এছাড়াও, সিঙ্গাপুরের মাদক অপরাধে মৃত্যুদণ্ড সম্পর্কে আরও তথ্য পাওয়া যাবে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থাগুলোর ওয়েবসাইটে।
সিঙ্গাপুরে মাদক অপরাধে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা নিয়ে বিতর্ক চলছে। কেউ কেউ যুক্তি দেখাচ্ছেন যে মৃত্যুদণ্ড মাদক অপরাধ রোধে কার্যকর, অন্যদিকে অনেকে যুক্তি দেখাচ্ছেন যে এটি মানবাধিকারের লঙ্ঘন। এই বিতর্ক চলতে থাকবে এবং সিঙ্গাপুর সরকারকে এই বিষয়ে আরও বিবেচনা করতে হবে।
সিঙ্গাপুরে মাদক অপরাধে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা একটি জটিল সমস্যা। এই সমস্যার সমাধান খুঁজে পেতে সিঙ্গাপুর সরকারকে আরও বিবেচনা করতে হবে এবং আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থাগুলোর সাথে কাজ করতে হবে। এই সমস্যার সমাধান খুঁজে পেতে সবাইকে একসাথে কাজ করতে হবে।



