বাংলাদেশের নন-ব্যাংকিং আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে ১৫টি প্রতিষ্ঠান বর্তমানে সংকটে রয়েছে। এদের মধ্যে ৯টি প্রতিষ্ঠান তাদের কার্যক্রম বন্ধ করে দেওয়ার পথে। বাংলাদেশ লিজিং অ্যান্ড ফাইন্যান্স কোম্পানিস অ্যাসোসিয়েশন (বিএলএফসিএ) জানিয়েছে, এসব প্রতিষ্ঠান টাকা ৩১০০ কোটি সাহায্য পেলে তারা আবার স্থিতিশীল হতে পারবে।
বিএলএফসিএর চেয়ারম্যান জানিয়েছেন, এসব প্রতিষ্ঠান নিজেদের প্রয়োজন মূল্যায়ন করে বিএলএফসিএকে জানিয়েছে যে তারা টাকা ৩১০০ কোটি সাহায্য প্রয়োজন। সরকার এই পরিমাণ অর্থ দিতে পারে এবং এসব প্রতিষ্ঠানকে আবার স্থিতিশীল করতে সাহায্য করতে পারে। তিনি আরও জানিয়েছেন, এসব প্রতিষ্ঠান বর্তমানে নতুন ব্যবসা অর্থায়ন বা ঋণ দিতে পারছে না কারণ তাদের দায় খুব বেশি।
বিএলএফসিএ ২৩শে সেপ্টেম্বর বাংলাদেশ ব্যাংকের সাথে বৈঠক করেছে এবং টাকা ৩১০০ কোটি সাহায্য চেয়েছে। এই সাহায্যটি ২ শতাংশ সুদের হারে এবং ৭ থেকে ১০ বছরের মধ্যে পরিশোধ করা যাবে। বিএলএফসিএ আশা করছে, এই সাহায্য পেলে এসব প্রতিষ্ঠান আবার স্থিতিশীল হতে পারবে এবং তাদের ঋণ পরিশোধ করতে পারবে।
এই সাহায্য পেলে এসব প্রতিষ্ঠান তাদের দায় পরিশোধ করতে পারবে এবং আবার নতুন ব্যবসা অর্থায়ন শুরু করতে পারবে। এটি বাংলাদেশের অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে এবং দেশের আর্থিক খাতকে স্থিতিশীল করতে সাহায্য করবে।
বাংলাদেশের অর্থনীতির জন্য এই সাহায্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এটি দেশের আর্থিক খাতকে স্থিতিশীল করতে সাহায্য করবে এবং নতুন ব্যবসা অর্থায়নের সুযোগ তৈরি করবে। এই সাহায্য পেলে এসব প্রতিষ্ঠান আবার স্থিতিশীল হতে পারবে এবং দেশের অর্থনীতিতে অবদান রাখতে পারবে।
সরকারকে এই সাহায্য প্রদানের জন্য উদ্যোগ নিতে হবে। এটি দেশের অর্থনীতির জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এই সাহায্য পেলে এসব প্রতিষ্ঠান আবার স্থিতিশীল হতে পারবে এবং দেশের অর্থনীতিতে অবদান রাখতে পারবে।
বাংলাদেশের অর্থনীতির উন্নয়নের জন্য এই সাহায্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এটি দেশের আর্থিক খাতকে স্থিতিশীল করতে সাহায্য করবে এবং নতুন ব্যবসা অর্থায়নের সুযোগ তৈরি করবে। এই সাহায্য পেলে এসব প্রতিষ্ঠান আবার স্থিতিশীল হতে পারবে এবং দেশের অর্থনীতিতে অবদান রাখতে পারবে।



