মৌলভীবাজারের রাজনগর উপজেলার ফতেহপুর ইউনিয়নের কাউয়াদীঘি হাওর ও কুশিয়ারা নদীর তীরে প্রতিদিন সকালবেলা দুই ঘণ্টার জন্য একটি মাছের হাট বসে। এই হাটে হাওর ও নদীর মাছ বিক্রি হয়। প্রতিদিন সকালে লাখ টাকার মাছ কেনাবেচা হয় এই হাটে।
হাটে বিক্রেতারা তাদের ধরা মাছ নিয়ে আসেন এবং ক্রেতারা নিলামের মাধ্যমে মাছ কিনেন। মাছের মধ্যে আছে কই, চ্যাং, পুঁটি, মখা, কাকিয়া, বোয়াল, গ্রাস কার্প, কার্ফু, রুই, চিংড়ি, চাঁদা, স্থানীয় পুঁটা মাছসহ আরও বেশ কিছু প্রজাতি।
হাটের বয়স প্রায় অর্ধশত বছর, তবে প্রতিদিন সকালবেলা মাছের এই হাট বসছে ২০-২২ বছর ধরে। হাটে ক্রেতা-বিক্রেতাদের মিলনমেলায় হাট জমজমাট হয়ে ওঠে। এখানে নিজেদের খাওয়ার জন্য মাছ কিনতে আসা ক্রেতা আছেন। তবে বড় অংশ খুচরা বিক্রেতা। তাঁরা এখানে মাছ কিনে মৌলভীবাজার জেলা শহরসহ বিভিন্ন গ্রামীণ হাটে বিক্রি করেন অথবা গ্রামে গ্রামে ফেরি করে বিক্রি করেন।
স্থানীয় বাসিন্দা আশিক মিয়া বলেন, ‘এই বাজারে সব আউরিয়া (হাওরের) মাছ। কাউয়াদীঘি আউরিয়া আর কুশিয়ারা নদীর মাছ ছাড়া অন্য কোথাও থেকে মাছ আসে না। একটাও চাষর মাছ নাই।’
সকাল ছয়টা থেকে হাট শুরু হয়, আটটার মধ্যেই মাছের কেনাবেচা শেষ হয়ে যায়। হাটে মাছের সঙ্গে অন্যান্য পণ্যেরও বেচাকেনা হয়। কেউ গৃহপালিত হাঁস-মোরগ নিয়ে এসেছেন। লাইন ধরে হাঁস-মোরগ বিক্রি করছেন অনেকে। রয়েছে সবজির দোকান, পান-সিগারেটের ভ্রাম্যমাণ দোকান। হাটের চা-স্টলে চায়ের কাপে ধোঁয়া উঠছে, প্লেটে বিক্রি হচ্ছে পরোটা ও আখনি।
মৌলভীবাজার জেলা শহরসহ দূরের অনেক ক্রেতাই ভোরবেলায় এখানে মাছ কিনতে আসেন। এই হাটে মাছের কেনাবেচা হলেও এখানে অন্যান্য পণ্যেরও বেচাকেনা হয়। এই হাট মৌলভীবাজারের একটি গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যিক কেন্দ্র।
এই হাটের গুরুত্ব অনেক। এখানে মাছের কেনাবেচা হলেও এখানে অন্যান্য পণ্যেরও বেচাকেনা হয়। এই হাট মৌলভীবাজারের একটি গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যিক কেন্দ্র। এখানে ক্রেতা-বিক্রেতাদের মিলনমেলায় হাট জমজমাট হয়ে ওঠে। এই হাটে মাছের কেনাবেচা হলেও এখানে অন্যান্য পণ্যেরও বেচাকেনা হয়।
এই হাটের ভবিষ্যৎ সম্ভাবনা অনেক। এখানে মাছের কেনাবেচা হলেও এখানে অন্যান্য পণ্যেরও বেচাকেনা হয়। এই হাট মৌলভীবাজারের একটি গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যিক কেন্দ্র। এখানে ক্রেতা-বিক্রেতাদের মিলনমেলায় হাট জমজমাট হয়ে ওঠে। এই হাটে মাছের কেনাবেচা হলেও এখানে অন্যান্য পণ্যেরও বেচাকেনা হয়।



