যুক্তরাজ্যের বিশেষ বাহিনীর দুই প্রাক্তন প্রধান এসএএসের সম্ভাব্য যুদ্ধাপরাধের প্রমাণ গোপন রাখার অভিযোগ একটি জনসাধারণের তদন্তে উঠে এসেছে।
একজন প্রাক্তন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা বলেছেন, তিনি ২০১১ সালে তৎকালীন বিশেষ বাহিনীর প্রধানকে ‘বিস্ফোরক’ প্রমাণ দিয়েছিলেন, যা সম্ভাব্য ‘অপরাধমূলক আচরণ’ নির্দেশ করে।
তিনি আরও বলেছেন, ২০১২ সালে বিশেষ বাহিনীর পরবর্তী প্রধান ‘স্পষ্টভাবে জানতেন যে আফগানিস্তানে একটি সমস্যা ছিল’ এবং তিনি কোনো ব্যবস্থা নেননি।
এই কর্মকর্তা বলেছেন, ব্রিটিশ আইন অনুসারে, কমান্ডারদের অবশ্যই রয়্যাল মিলিটারি পুলিশকে (আরএমপি) জানাতে হবে যদি তাদের কমান্ডে থাকা কেউ গুরুতর অপরাধ করে থাকে।
কিন্তু বিশেষ বাহিনীর দুই প্রধান কেউই এই অভিযোগগুলি আরএমপির কাছে পাঠাননি।
এই তথ্যগুলি একটি জনসাধারণের তদন্ত থেকে পাওয়া গেছে, যা আফগানিস্তানে বিশেষ বাহিনীর সম্ভাব্য যুদ্ধাপরাধের অভিযোগ তদন্ত করছে।
তদন্তের নিয়ম অনুসারে, অভিযুক্ত প্রাক্তন প্রধানদের নাম প্রকাশ করা যাবে না।
আফগানিস্তানে এসএএসের অবৈধ হত্যার অভিযোগ ২০২২ সালে বিবিসি প্যানোরামা প্রকাশ করেছিল।
প্রোগ্রামটি দেখিয়েছিল যে ৫৪ জন বন্দী এবং অস্ত্রহীন লোক এসএএসের হাতে সন্দেহজনক পরিস্থিতিতে নিহত হয়েছিল।
প্রোগ্রামটি আরও দেখিয়েছিল যে ২০১২ সালে বিশেষ বাহিনীর প্রধান জেনারেল স্যার মার্ক কার্লটন-স্মিথ যুদ্ধাপরাধের অভিযোগ রিপোর্ট করেননি।
তদন্ত শুরু হওয়ার পর, জেনারেল কার্লটন-স্মিথ এবং লেফটেন্যান্ট জেনারেল জনাথন পেজ উভয়ই অস্বীকার করেছেন যে তারা যুদ্ধাপরাধের অভিযোগ জানতেন।
তবে এই তথ্যগুলি নতুন প্রমাণ যোগ করেছে যে বিশেষ বাহিনীর নেতৃত্ব সম্ভাব্য যুদ্ধাপরাধের অভিযোগ গোপন রাখার চেষ্টা করেছিল।
এই তদন্ত চলমান রয়েছে এবং এটি আফগানিস্তানে বিশেষ বাহিনীর কর্মকাণ্ড সম্পর্কে আরও তথ্য উদঘাটন করতে পারে।
এই তথ্যগুলি ব্রিটিশ সরকার এবং বিশেষ বাহিনীর জন্য উদ্বেগজনক হতে পারে, কারণ এগুলি সম্ভাব্য যুদ্ধাপরাধের অভিযোগ এবং তদন্তের অভাব সম্পর্কে প্রশ্ন তুলতে পারে।



