জেমস ক্যামেরনের সিনেমাগুলো প্রায়শই ভিজ্যুয়াল ইফেক্টস প্রযুক্তির সর্বশ্রেষ্ঠ ধারণাগুলোর মধ্যে অন্যতম। বিশেষ করে ‘অভাতার’ সিনেমাগুলোতে নীল রঙের নাভি চরিত্রগুলো পারফরম্যান্স ক্যাপচারের মাধ্যমে জীবন্ত হয়ে ওঠে। কিন্তু এটা জেমস ক্যামেরনকে জেনারেটিভ এআই-এর ভক্ত বানায়নি।
আসন্ন ‘অভাতার: ফায়ার অ্যান্ড অ্যাশ’ সিনেমার মুক্তির সাথে সম্পর্কিত একটি সাক্ষাৎকারে ক্যামেরন স্বীকার করেছেন যে পারফরম্যান্স ক্যাপচার এবং জেনারেটিভ এআই-এর মধ্যে পার্থক্য রয়েছে। তিনি বলেছেন, ‘বছরের পর বছর ধরে একটা ধারণা ছিল যে আমরা কম্পিউটারের সাথে কিছু অস্বাভাবিক কাজ করছি এবং অভিনেতাদের প্রতিস্থাপন করছি।’
কিন্তু আসলে পারফরম্যান্স ক্যাপচার হলো অভিনেতা এবং পরিচালকের মুহূর্তের উদযাপন। জেনারেটিভ এআই একটি ভিন্ন ধরনের প্রযুক্তি যা একটি চরিত্র, অভিনেতা এবং পারফরম্যান্স তৈরি করতে পারে শুধুমাত্র একটি টেক্সট প্রম্পট দিয়ে। ক্যামেরন এই প্রযুক্তিকে ‘ভয়ংকর’ বলে অভিহিত করেছেন।
‘অভাতার’ সিনেমার কাস্ট সদস্যরা জলের নিচে দৃশ্যগুলো ক্যাপচার করার জন্য ২৫০,০০০ গ্যালন জলের ট্যাঙ্কে অভিনয় করেছেন। এই প্রক্রিয়াটি দেখায় যে পারফরম্যান্স ক্যাপচার একটি জটিল এবং সৃজনশীল প্রক্রিয়া যা অভিনেতা এবং পরিচালকের মিলনের ফলে তৈরি হয়।
জেনারেটিভ এআই প্রযুক্তি একটি নতুন ধরনের সৃজনশীলতার সম্ভাবনা তৈরি করেছে, কিন্তু এটি অভিনেতা এবং পরিচালকের ভূমিকাকে প্রতিস্থাপন করবে না। পারফরম্যান্স ক্যাপচার এবং জেনারেটিভ এআই-এর মধ্যে পার্থক্য বোঝা গুরুত্বপূর্ণ যাতে আমরা এই প্রযুক্তিগুলোকে সঠিকভাবে ব্যবহার করতে পারি।
সিনেমা শিল্পে প্রযুক্তির ব্যবহার ক্রমশ বাড়ছে, এবং এটি নতুন ধরনের সৃজনশীলতা এবং সম্ভাবনার জন্ম দিচ্ছে। কিন্তু এটি আমাদের প্রযুক্তির সীমাবদ্ধতা এবং সম্ভাব্য ঝুঁকিগুলো সম্পর্কেও সচেতন হতে হবে।
পারফরম্যান্স ক্যাপচার এবং জেনারেটিভ এআই-এর মধ্যে পার্থক্য বোঝার মাধ্যমে আমরা সিনেমা শিল্পে প্রযুক্তির সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করতে পারি। এটি আমাদের সিনেমার ভবিষ্যত সম্পর্কে আরও সচেতন হতে সাহায্য করবে এবং আমাদের সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা বাড়াবে।
সিনেমা শিল্পে প্রযুক্তির ব্যবহার ক্রমশ বাড়ছে, এবং এটি নতুন ধরনের সৃজনশীলতা এবং সম্ভাবনার জন্ম দিচ্ছে। কিন্তু এটি আমাদের প্রযুক্তির সীমাবদ্ধতা এবং সম্ভাব্য ঝুঁকিগুলো সম্পর্কেও সচেতন হতে হবে।
পারফরম্যান্স ক্যাপচার এবং জেনারেটিভ এআই-এর মধ্যে পার্থক্য বোঝার মাধ্যমে আমরা সিনেমা শিল্পে প্রযুক্তির সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করতে পারি। এটি আমাদের সিনেমার ভবিষ্যত সম্পর্কে আরও সচেতন হতে সাহায্য করবে এবং আমাদের সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা বাড়াবে।



