ফরহাদ মজহার মন্তব্য করেছেন, মুহাম্মদ ইউনূস ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের ‘ফল’ হিসেবে ক্ষমতায় আসীন হলেও তিনি জনগণকে ‘উপেক্ষা’ করে সেনাবাহিনী ও আন্তর্জাতিক শক্তির সঙ্গে ‘আঁতাত’ করেছেন।
তিনি বলেছেন, রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর যেসব রাজনৈতিক দ্বন্দ্ব সমাজে হাজির হয়েছে, সরকারপ্রধান হিসেবে তার মোকাবেলা না করে নির্বাচন দেওয়ার মধ্য দিয়ে ইউনূস নাগরিকদের ‘বিপদে ফেলে চলে যাচ্ছেন’।
ফরহাদ মজহার বলেছেন, মব সহিংসতা, মাজার ভাঙা, বাউলদের উপর হামলার ঘটনা যে জুলাই অভ্যুত্থানের পর বেড়ে গেছে, তা অবধারিত ছিল।
তার মতে, রাষ্ট্রকে ‘নতুন করে গঠন করার প্রক্রিয়ায় না যাওয়াই’ এসব ঘটনা বাড়ার কারণ।
ফরহাদ মজহার বলেছেন, সেক্যুলার ফ্যাসিজমের বিপরীতে মুদ্রার অপর পৃষ্ঠা হল ধর্মীয় ফ্যাসিবাদ।
তিনি বলেছেন, এটা হিন্দুত্ববাদের ইসলামি সংস্করণ।
এটা বাংলাদেশে গড়ে উঠেছে।
তিনি বলেছেন, ধর্মীয় ফ্যাসিবাদীরা গণঅভ্যুত্থানকে ‘নস্যাৎ’ করে দিতে চাইছে।
তার মতে, এই ধর্মীয় ফ্যাসিবাদকে মোকাবেলা করাটা আমাদের প্রধান রাজনৈতিক কর্তব্য হিসেবে হাজির হয়েছে।
ফরহাদ মজহার বলেছেন, প্রধান উপদেষ্টা ‘জাতীয় ঐক্যের’ কথা বলে ‘এলিট সমঝোতাকে জাতীয় ইচ্ছা’ হিসেবে হাজির করছেন।
তিনি বলেছেন, তাকে তো জনগণের কথা শুনতে হবে।
তার মতে, গণঅভ্যুত্থানটা জনগণ করেছে, কোন রাজনৈতিক দল তো করে নাই।
তিনি বলেছেন, তাহলে তিনি রাজনৈতিক দলগুলোকে একত্র করছেন কেন?
তিনি বলেছেন, যারা লুটেরা মাফিয়া শ্রেণী।
এরা তো লুট করবার জন্য আবার ক্ষমতা চায়।
তার মতে, তিনি সমাজের যে প্রশ্ন, যে জিজ্ঞাসাগুলো, যে দ্বন্দ্বগুলো, এগুলার সংস্কারের জন্য তিনি কিচ্ছু করলেন না।
এমনকি এই যে সাংস্কৃতিক বিরোধ আছে, তার জন্য কি তিনি কিছু করলেন?



