ব্রাহ্মণবাড়িয়ার একটি দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী পরিবারকে গান গাইতে বাধা দেওয়া হয়েছে। এই পরিবারের সদস্যরা প্রায় ৫০ বছর ধরে ব্রাহ্মণবাড়িয়া পৌর মুক্তমঞ্চে গান গেয়ে জীবিকা নির্বাহ করেন।
বুধবার কিছু লোক এসে তাদেরকে গান গাইতে মানা করে দেন। এই পরিবারের কর্তা হেলাল মিয়া জানান, তারা প্রতিদিন গান করছিলেন, কিন্তু বাধাদানকারীরা তাদেরকে গান গাইতে বাধা দেন।
হেলাল মিয়া বলেন, তারা ভয়ে এখন গান করছেন না। তারা ৫০ বছর ধরে গান গাইলেও এমন হয়নি। এখন এমন কোনো জায়গাও পাচ্ছেন না যেখানে তারা গান গাইতে পারেন।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা বিএনপির সভাপতি ও পৌরসভার সাবেক মেয়র হাফিজুর রহমান মোল্লা জানান, তিনি দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী পরিবারটি বিভিন্নভাবে সহযোগী করেছেন। কিছু উশৃংখল ছেলে নাকি অন্ধ পরিবারকে বাঁধা দিয়েছে।
হেলাল মিয়া বলেন, তারা গান গেয়ে যে আয় করেন তা দিয়ে চলে ১৫ জনের বড় সংসার। তারা প্রতিদিন এক-দেড় হাজার টাকা আয় করেন। বিশেষ বিশেষ দিনে পাঁচ হাজার টাকা পর্যন্তও তারা আয় করেন।
হেলাল মিয়ার পরিবারের মোট ১৩ জন সদস্য। এর মধ্যে নয়জন দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী। উপার্জনক্ষমদের মধ্যে হেলাল মিয়া, চার ছেলে ও এক মেয়ে চোখে দেখেন না।
হেলাল মিয়া বলেন, তারা কারো কাছে হাত পাতেন না। গান গেয়ে যে আয় হয় তা দিয়ে চলে ১৫ জনের বড় সংসার।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া পৌরসভার সাবেক মেয়র হাফিজুর রহমান মোল্লা জানান, তিনি দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী পরিবারটি বিভিন্নভাবে সহযোগী করেছেন। তিনি তাদেরকে বলেছেন, আবার বসতে।
হেলাল মিয়া বলেন, তারা ভয়ে এখন গান করছেন না। তারা ৫০ বছর ধরে গান গাইলেও এমন হয়নি। এখন এমন কোনো জায়গাও পাচ্ছেন না যেখানে তারা গান গাইতে পারেন।
এই ঘটনার পর থেকে হেলাল মিয়া ও তার পরিবারের সদস্যরা গান গাইতে ভয় পাচ্ছেন। তারা চান যে তাদেরকে গান গাইতে দেওয়া হোক।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা বিএনপির সভাপতি ও পৌরসভার সাবেক মেয়র হাফিজুর রহমান মোল্লা জানান, তিনি দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী পরিবারটি বিভিন্নভাবে সহযোগী করেছেন। তিনি তাদেরকে বলেছেন, আবার বসতে।
এই ঘটনার পর থেকে হেলাল মিয়া ও তার পরিবারের সদস্যরা গান গাইতে ভয় পাচ্ছেন। তারা চান যে তাদেরকে গান গাইতে দেওয়া হোক।
হেলাল মিয়া বলেন, তারা গান গেয়ে যে আয় করেন তা দিয়ে চলে ১৫ জনের বড় সংসার। তারা প্রতিদিন এক-দেড় হাজার টাকা আয় করেন। বিশেষ বিশেষ দিনে পাঁচ হাজার টাকা পর্যন্তও তারা আয় করেন।
এই ঘটনার পর থেকে হেলাল মিয়া ও তার পরিবারের সদস্যরা গান গাইতে ভয় পাচ্ছেন। তারা চান যে তাদেরকে গান গাইতে দেওয়া হোক।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা বিএনপির সভাপতি ও পৌরসভার সাবেক মেয়র হাফিজুর রহমান মোল্লা জানান, তিনি দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী পরিবারটি বিভিন্নভাবে সহযোগী করেছেন। তিনি তাদেরকে বলেছেন, আবার বসতে।
হেলাল মিয়া বলেন, তারা গান গেয়ে যে আয় করেন তা দিয়ে চলে ১৫ জনের বড় সংসার। তারা প্রতিদিন এক-দেড় হাজার টাকা আয় করেন। বিশেষ বিশেষ দিনে পাঁচ হাজার টাকা পর্যন্তও তারা আয় করেন।
এই ঘটনার পর থেকে হেলাল মিয়া ও তার পরিবারের সদস্যরা গান গাইতে ভয় পাচ্ছেন। তারা চান যে তাদেরকে গান গাইতে দেও



