গতকাল দেশব্যাপী মোবাইল ফোন ব্যবসায়ীদের ধর্মঘটের কারণে অসংখ্য গ্রাহক ব্যাপক অসুবিধার সম্মুখীন হয়েছে। মোবাইল বিজনেস কমিউনিটি বাংলাদেশ (এমবিসিবি) আহ্বানে দেশব্যাপী হাজার হাজার মোবাইল ফোনের দোকান বন্ধ ছিল।
এই ধর্মঘটের কারণ হলো আগামী ১৬ই ডিসেম্বর থেকে চালু হতে যাচ্ছে এমন ন্যাশনাল ইকুইপমেন্ট আইডেন্টিটি রেজিস্টার (নেইর) ব্যবস্থা। এই ব্যবস্থায় চুরি বা অবৈধ মোবাইল ফোনগুলোকে শনাক্ত করে ব্লক করা হবে।
বাংলাদেশের মোবাইল ফোন বাজারে অবৈধ বা ‘গ্রে’ হ্যান্ডসেটের ব্যাপক প্রচলন রয়েছে। এই ধরনের হ্যান্ডসেটের সংখ্যা মোট ব্যবহৃত স্মার্টফোনের ৬০ শতাংশ।
মোবাইল ফোন ব্যবসায়ীদের একটি অংশ এই ধর্মঘটে সমর্থন জানিয়েছে, অন্যদিকে অনেকেই এই সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করেছে। মোবাইল ফোন ইন্ডাস্ট্রি ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন অফ বাংলাদেশ (এমআইওবি) বলেছে, নেইর ব্যবস্থার কারণে বাজারে অবৈধ হ্যান্ডসেটের বিক্রি কমবে।
গতকাল ঢাকার বসুন্ধরা সিটি শপিং কমপ্লেক্সে অনেক গ্রাহক মোবাইল ফোন কেনার জন্য এসেছিল, কিন্তু দোকানগুলো বন্ধ থাকায় তারা নিরাশ হয়ে ফিরে যেতে বাধ্য হয়েছে।
এই ধর্মঘটের ফলে মোবাইল ফোন ব্যবসায়ীরা যে ক্ষতির সম্মুখীন হবে তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। তারা বলেছে, নেইর ব্যবস্থা চালু হলে তাদের অনেক পণ্য বিক্রি করা সম্ভব হবে না।
এই পরিস্থিতি নিয়ে সবাই উদ্বিগ্ন। মোবাইল ফোন ব্যবসায়ীরা চাইছে সরকার তাদের দাবি বিবেচনা করে নেইর ব্যবস্থা স্থগিত করুক।
এই বিষয়ে সরকারের কী পদক্ষেপ থাকবে তা এখনও পরিষ্কার নয়। তবে মোবাইল ফোন ব্যবসায়ীরা আশা করছে যে সরকার তাদের দাবি বিবেচনা করবে এবং একটি সমাধান বের করবে।
এই পরিস্থিতি নিয়ে সবাই উদ্বিগ্ন। মোবাইল ফোন ব্যবসায়ীরা চাইছে সরকার তাদের দাবি বিবেচনা করে নেইর ব্যবস্থা স্থগিত করুক।
এই বিষয়ে আরও তথ্য পেতে আমরা অপেক্ষা করছি। আশা করি সরকার এবং মোবাইল ফোন ব্যবসায়ীরা একটি সমাধান বের করতে সক্ষম হবে।



