বাংলাদেশের পোশাক শিল্পের রপ্তানি গত ১৫ বছরে তিনগুণ বেড়েছে। এসময় রপ্তানি আয় $১২.৫ বিলিয়ন থেকে $৪০ বিলিয়নে উন্নীত হয়েছে। কিন্তু এই শিল্পে চাকরি সৃষ্টি স্থবির রয়েছে। এটি অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি এবং কর্মসংস্থানের মধ্যে বিস্তারিত বিচ্ছিন্নতা তুলে ধরে।
গত বছরে পোশাক শিল্পের রপ্তানি প্রতি $১ মিলিয়নে ২২০ জন শ্রমিক প্রয়োজন হত, যা ২০২৪ সালে ৯০ জনে নেমে এসেছে। এটি দেখায় যে শিল্পে উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি পেয়েছে, কিন্তু চাকরি সৃষ্টি কমে গেছে।
গত দশকে কৃষি খাতের অবদান জিডিপিতে ১৫.৫% থেকে ১১% এ কমেছে। অন্যদিকে, শিল্প খাতের অবদান ২৫% থেকে ৩৪% বেড়েছে। এসময় শিল্প খাতে ১.৪ মিলিয়ন চাকরি হারিয়েছে। কৃষি খাতে এখনও ৪৫% শ্রমিক নিয়োজিত।
পোশাক শিল্পে নারীদের অংশগ্রহণ ৪০% থেকে ২৪% এ কমেছে। ২০১৩ সালে নারী শ্রমিকের সংখ্যা ছিল ৩.৭৫ মিলিয়ন, যা ২০২৪ সালে ১.৯৫ মিলিয়নে নেমে এসেছে। বাংলাদেশ ২০১৬ থেকে ২০২০ সালের মধ্যে প্রতি বছর ১.২ মিলিয়ন চাকরি সৃষ্টি করেছে, যা প্রয়োজনের ২.২ মিলিয়নের থেকে কম।
এই পরিস্থিতি দেখে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি এবং কর্মসংস্থানের মধ্যে বিস্তারিত বিচ্ছিন্নতা স্পষ্ট হয়ে ওঠে। এটি দেশের জনসংখ্যার কর্মসংস্থানের জন্য একটি বড় চ্যালেঞ্জ তৈরি করেছে।
বাংলাদেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি অব্যাহত রাখতে এবং কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করতে সরকারকে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে। এর মধ্যে শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ প্রদান, শিল্প উন্নয়ন, এবং কর্মসংস্থানের জন্য উপযুক্ত পরিবেশ তৈরি করা অন্তর্ভুক্ত। এই পদক্ষেপগুলি বাংলাদেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি এবং কর্মসংস্থানের মধ্যে বিস্তারিত বিচ্ছিন্নতা দূর করতে সাহায্য করবে।
বাংলাদেশের পোশাক শিল্পের ভবিষ্যত সম্ভাবনাময়। কিন্তু এই শিল্পে চাকরি সৃষ্টি এবং কর্মসংস্থানের জন্য উপযুক্ত পরিবেশ তৈরি করতে হবে। এই লক্ষ্য অর্জনের জন্য সরকার, শিল্পপতি, এবং শ্রমিকদের সমন্বয়ে কাজ করতে হবে। একসাথে কাজ করলে বাংলাদেশের পোশাক শিল্পে চাকরি সৃষ্টি এবং কর্মসংস্থানের জন্য উপযুক্ত পরিবেশ তৈরি করা সম্ভব হবে।
বাংলাদেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি এবং কর্মসংস্থানের মধ্যে বিস্তারিত বিচ্ছিন্নতা দূর করার জন্য সরকারকে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে। এর মধ্যে শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ প্রদান, শিল্প উন্নয়ন, এবং কর্মসংস্থানের জন্য উপযুক্ত পরিবেশ তৈরি করা অন্তর্ভুক্ত। এই পদক্ষেপগুলি বাংলাদেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি এবং কর্মসংস্থানের মধ্যে বিস্তারিত বিচ্ছিন্নতা দূর করতে সাহায্য করবে।
বাংলাদেশের পোশাক শিল্পের ভবিষ্যত সম্ভাবনাময়। কিন্তু এই শিল্পে চাকরি সৃষ্টি এবং কর্মসংস্থানের জন্য উপযুক্ত পরিবেশ তৈরি করতে হবে। এই লক্ষ্য অর্জনের জন্য সরকার, শিল্পপতি, এবং শ্রমিকদের সমন্বয়ে কাজ করতে হবে। একসাথে কাজ করলে বাংলাদেশের পোশাক শিল্পে চাকরি সৃষ্টি এবং কর্মসংস্থানের জন্য উপযুক্ত পরিবেশ তৈরি করা সম্ভব হবে।



