জামায়াতের আমির ডা. শফিকুর রহমান আশ্বাসের রাজনীতির সমালোচনা করেছেন। তিনি বলেছেন, আশ্বাসের রাজনীতিতে তিনি বিশ্বাস করেন না, বরং কাজের মাধ্যমে প্রমাণ হবে তারা কী করতে চান।
ডা. শফিকুর রহমান একটি সেমিনারে এই মন্তব্য করেছেন। তিনি বলেছেন, আশ্বাস এবং ওয়াদা নয়, বরং কাজের মাধ্যমে প্রমাণ হবে তারা কী করতে চান। তিনি বলেছেন, বাংলাদেশের মানুষ ভালো, কিন্তু খারাপ রাজনীতিবিদদের কারণে দেশে কিছুই হয় না।
জামায়াত আমির বলেছেন, দেশে মানসম্মত শিক্ষাব্যবস্থা নেই। তিনি বলেছেন, মা-বাবা নয়, সন্তান কী নিয়ে পড়াশোনা করবে তা নির্ধারণ করবে শিক্ষক। তিনি বলেছেন, আমাদের টার্গেট সব শিশুকে গড়ে তোলা, আগামীতে বোঝা নয়, সম্পদ হয়ে উঠবে তারা।
ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, এখন জাস্টিস পয়সা দিয়ে কিনতে হয়, এর পরিবর্তন করতে হবে। তিনি বলেছেন, আমরা সরকারে গেলে কোনো দাবি নিয়ে দপ্তরে দপ্তরে ধরনা দিতে হবে না, আন্দোলন করতে হবে না, সরকার তার দোরগোড়ায় সেবা পৌঁছে দেবে।
জামায়াত আমির বলেছেন, সরকারে না গেলেও জামায়াতের পক্ষ থেকে ১০০ ক্লিনিকে সোলার প্যানেল লাগানোর কথা জানান। তিনি বলেছেন, আমরা মূল ধরে টান দিবো, দেশের মানুষকে ভালো সেবা পৌঁছে দেবো।
জামায়াত আমিরের এই মন্তব্য রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মধ্যে আগ্রহের কারণ হয়ে উঠেছে। তারা বলছেন, জামায়াত আমিরের এই মন্তব্য দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে উল্লেখযোগ্য প্রভাব ফেলতে পারে।
জামায়াত আমিরের এই মন্তব্য দেশের রাজনৈতিক দৃশ্যপটে নতুন মাত্রা যোগ করেছে। এই মন্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি কেমন হবে তা নিয়ে রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মধ্যে আলোচনা শুরু হয়েছে।
জামায়াত আমিরের এই মন্তব্য দেশের রাজনৈতিক ভবিষ্যতের জন্য গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে। এই মন্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে দেশের রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে নতুন ধরনের রাজনৈতিক পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে।



