গণ-অধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক রাশেদ খাঁন সম্প্রতি এক বক্তৃতায় জানিয়েছেন, বর্তমান সরকারের প্রধান দায়িত্ব হলো সংস্কার, গণহত্যার বিচার ও সুষ্ঠু নির্বাচনের ব্যবস্থা করা। তবে সরকার বিদেশিদের খুশি করার জন্য বন্দরের নিয়ন্ত্রণ ও পরিচালনার দায়িত্ব বিদেশিদের হাতে তুলে দিচ্ছে, যা জনগণ কখনই মেনে নেবে না।
শনিবার ঝিনাইদহের হরিণাকুণ্ডু উপজেলার জোড়াদহ বাজারে গণসংযোগ শেষে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে রাশেদ খাঁন এসব কথা বলেন। তিনি আরও বলেন, বর্তমান সরকারের উপদেষ্টারা কমিশন বাণিজ্য করছে এবং দুর্নীতি করছে। তারা তলে তলে সব করে যাচ্ছে।
রাশেদ খাঁন বলেন, চাঁদাবাজির দোহাই দিয়ে বিদেশিদের হাতে বন্দর দেওয়া যাবে না। এটা জনগণ কিছুতেই মেনে নেবে না। তিনি আরও বলেন, আমরা নানা ভাবে উপদেষ্টাদের কমিশন বাণিজ্যের খবর পাচ্ছি।
গণ-অধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক রাশেদ খাঁনের এই বক্তব্য রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে উল্লেখযোগ্য প্রভাব ফেলবে। এটি বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও সংগঠনের মধ্যে বিতর্কের সৃষ্টি করবে। এছাড়াও, এটি সরকারের নীতি ও কর্মসূচির প্রতি জনগণের মনোভাব গঠনে ভূমিকা রাখবে।
রাশেদ খাঁনের বক্তব্য থেকে বোঝা যায়, তিনি বর্তমান সরকারের নীতি ও কর্মসূচির সমালোচনা করছেন। তিনি বলছেন, সরকার বিদেশিদের খুশি করার জন্য বন্দরের নিয়ন্ত্রণ ও পরিচালনার দায়িত্ব বিদেশিদের হাতে তুলে দিচ্ছে, যা জনগণের স্বার্থে নয়। এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক বিষয়, যা দেশের ভবিষ্যত নির্ধারণে ভূমিকা রাখবে।
এই বিষয়ে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও সংগঠনের মধ্যে বিতর্ক সৃষ্টি হবে। কেউ কেউ রাশেদ খাঁনের বক্তব্যকে সমর্থন করবে, অন্যদিকে কেউ কেউ এর সমালোচনা করবে। এটি রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে উল্লেখযোগ্য প্রভাব ফেলবে।
অবশেষে, রাশেদ খাঁনের বক্তব্য থেকে বোঝা যায়, তিনি বর্তমান সরকারের নীতি ও কর্মসূচির সমালোচনা করছেন। তিনি বলছেন, সরকার বিদেশিদের খুশি করার জন্য বন্দরের নিয়ন্ত্রণ ও পরিচালনার দায়িত্ব বিদেশিদের হাতে তুলে দিচ্ছে, যা জনগণের স্বার্থে নয়। এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক বিষয়, যা দেশের ভবিষ্যত নির্ধারণে ভূমিকা রাখবে।



