ফিলিপাইনের রাজধানী ম্যানিলায় হাজার হাজার মানুষ বিক্ষোভ করছেন সরকারি ভর্তুকি ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে। এই বিক্ষোভ রাষ্ট্রপতি ফের্ডিনান্ড মার্কোস জুনিয়রের পদত্যাগের দাবিতে করা হচ্ছে।
বিক্ষোভকারীরা ম্যানিলার লুনেটা ন্যাশনাল পার্ক থেকে শুরু করে রাষ্ট্রপতির প্রাসাদের দিকে যাচ্ছেন। এই বিক্ষোভ করা হচ্ছে সরকারি ভর্তুকি ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে, যার মধ্যে রয়েছে বন্যা নিয়ন্ত্রণ প্রকল্পের জন্য অর্থ বরাদ্দের দুর্নীতি।
এই বিক্ষোভে অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে রয়েছেন ২১ বছর বয়সী ছাত্র ম্যাট ওভি ভিলানুয়েভা, যিনি সেপ্টেম্বর মাসেও একটি বিক্ষোভে অংশগ্রহণ করেছিলেন। তিনি বলেন, তাকে সেই সময় পুলিশ বেটন দিয়ে মারধর করেছিল এবং পাঁচ দিনের জন্য আটক করেছিল।
বিক্ষোভকারীরা রাষ্ট্রপতি মার্কোস এবং ভাইস প্রেসিডেন্ট সারা দুতের্তেকে পদত্যাগের দাবি জানাচ্ছেন। তারা বলছেন, তারা সরকারের দুর্নীতি ও অবিচারের বিরুদ্ধে লড়াই করতে চান।
এই বিক্ষোভ ফিলিপাইনের রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা। এটি দেখাচ্ছে যে ফিলিপাইনের জনগণ সরকারের দুর্নীতি ও অবিচারের বিরুদ্ধে লড়াই করতে চান।
ফিলিপাইনের সরকার এই বিক্ষোভের প্রতি সতর্কভাবে দেখছে। তারা বিক্ষোভকারীদের দাবি মেনে নেবে কিনা তা এখনও অস্পষ্ট। কিন্তু একটা বিষয় নিশ্চিত, ফিলিপাইনের রাজনৈতিক পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হবে।
ফিলিপাইনের রাজনৈতিক পরিস্থিতি বিশ্বের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে। বিশ্বের নেতারা ফিলিপাইনের রাজনৈতিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছেন। তারা ফিলিপাইনের জনগণের দাবি মেনে নেবে কিনা তা দেখতে চান।
ফিলিপাইনের রাজনৈতিক পরিস্থিতি একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। এটি ফিলিপাইনের ভবিষ্যতের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। ফিলিপাইনের জনগণ তাদের দাবি মেনে নিতে চান। তারা সরকারের দুর্নীতি ও অবিচারের বিরুদ্ধে লড়াই করতে চান।
ফিলিপাইনের রাজনৈতিক পরিস্থিতি একটি জটিল বিষয়। এটি ফিলিপাইনের জনগণের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। তারা তাদের দাবি মেনে নিতে চান। তারা সরকারের দুর্নীতি ও অবিচারের বিরুদ্ধে লড়াই করতে চান।
ফিলিপাইনের রাজনৈতিক পরিস্থিতি একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। এটি ফিলিপাইনের ভবিষ্যতের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। ফিলিপাইনের জনগণ তাদের দাবি মেনে নিতে চান। তারা সরকারের দুর্নীতি ও অবিচারের বিরুদ্ধে লড়াই করতে চান।



