দেশের বাজারে জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধি পেয়েছে। ডিসেম্বর মাসে প্রতি লিটার জ্বালানি তেলের দাম ২ টাকা বেড়েছে। বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের একটি প্রজ্ঞাপনে এই তথ্য জানানো হয়েছে।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, প্রতি লিটার ডিজেলের দাম ১০২ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১০৪ টাকা করা হয়েছে। পেট্রলের দাম প্রতি লিটার ১১৮ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১২০ টাকা এবং অকটেনের দাম ১২২ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১২৪ টাকা করা হয়েছে। এছাড়াও, কেরোসিনের দাম প্রতি লিটার ১১৪ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১১৬ টাকা করা হয়েছে।
নতুন দাম ১ ডিসেম্বর থেকে কার্যকর হবে। গত বছরের মার্চ থেকে বিশ্ববাজারের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে জ্বালানি তেলের স্বয়ংক্রিয় মূল্য নির্ধারণ শুরু করেছে সরকার। প্রতি মাসে নতুন দাম ঘোষণা করা হয়।
জ্বালানি তেলের স্বয়ংক্রিয় মূল্য নির্ধারণের সূত্র নির্ধারণ করে নির্দেশিকা প্রকাশ করা হয়েছে ২০২৪ সালের ২৯ ফেব্রুয়ারি। এতে বলা হয়, দেশে ব্যবহৃত অকটেন ও পেট্রল ব্যক্তিগত যানবাহনে বেশি ব্যবহৃত হয়। তাই বাস্তবতার নিরিখে বিলাসদ্রব্য হিসেবে সব সময় ডিজেলের চেয়ে অকটেন ও পেট্রলের দাম বেশি রাখা হয়।
জ্বালানি তেলের মধ্যে উড়োজাহাজে ব্যবহৃত জেট ফুয়েলের দাম নির্ধারণ করছে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন। বিদ্যুৎকেন্দ্রে ব্যবহৃত ফার্নেস তেলের দাম সমন্বয়ের প্রস্তাব বিইআরসির কাছে জমা আছে। আর ডিজেল, কেরোসিন, পেট্রল ও অকটেনের দাম নির্ধারণ করে জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ।
জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধির ফলে বাজারে পণ্যের দাম বাড়তে পারে। এটি ভোক্তাদের জন্য একটি চ্যালেঞ্জ হতে পারে। তবে, সরকারের এই সিদ্ধান্ত জ্বালানি তেলের বাজারকে স্থিতিশীল করতে সাহায্য করবে বলে আশা করা হচ্ছে।
জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধির প্রভাব বাজারে ধীরে ধীরে পরিলক্ষিত হবে। ভোক্তাদের উচিত এই পরিস্থিতির জন্য প্রস্তুত থাকা। সরকারকে উচিত ভোক্তাদের স্বার্থ রক্ষার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া।



