চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কের বিভিন্ন স্থানে অবরোধ করা হয়েছে। এই অবরোধ কর্মসূচির মাধ্যমে মহাসড়কটিকে ছয় লেনে উন্নীত করার দাবি জানানো হয়েছে। এই কর্মসূচি চট্টগ্রাম জেলার লোহাগড়া, সাতকানিয়া এবং কক্সবাজারের চকরিয়া এলাকায় পালিত হচ্ছে।
অবরোধকারীরা মহাসড়কের উভয় পাশে অবস্থান নিয়েছেন এবং ছয় লেনের দাবিতে নানা স্লোগান দিচ্ছেন। এই অবরোধের ফলে মহাসড়কের উভয় পাশে দীর্ঘ এক কিলোমিটার এলাকা জুড়ে যানজট সৃষ্টি হয়েছে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, লোহাগড়ায় সকাল নয়টা থেকে অবরোধ কর্মসূচি শুরু হয়েছে।
কক্সবাজারের চকরিয়া উপজেলার মাতামুহুরী সেতু এলাকায় সকাল ১০টা থেকে কর্মসূচি শুরু হয়। এতে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নিয়েছেন। সরেজমিনে দেখা যায়, বিভিন্ন ব্যানার-ফেস্টুন নিয়ে সেতু এলাকায় অবস্থান করছেন আন্দোলনকারীরা।
আন্দোলনকারীদের একজন বলেন, বিকেল চারটা পর্যন্ত তাঁদের কর্মসূচি অব্যাহত রাখার সিদ্ধান্ত হয়েছে। অ্যাম্বুলেন্স, ফায়ার সার্ভিস, বিমানবন্দরমুখী গাড়ি, পরীক্ষার্থী ও চিকিৎসাসেবাসহ জরুরি সরকারি যানবাহন অবরোধের আওতার বাইরে থাকবে।
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের চকরিয়ার অন্যতম সমন্বয়ক বলেন, দক্ষিণ চট্টগ্রাম, কক্সবাজার এবং বান্দরবান অঞ্চলের কোটি মানুষের যোগাযোগের প্রধান পথ এই মহাসড়ক। এটি মাত্র দুই লেনের হওয়ায় প্রায়ই দুর্ঘটনায় প্রাণহানি ঘটছে। মহাসড়কটি দ্রুত ছয় লেন করার উদ্যোগ নিতে হবে।
চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়ক উন্নয়ন আন্দোলনের সংগঠক বলেন, এর আগে একই দাবিতে স্মারকলিপি দেওয়া, মানববন্ধনসহ নানা কর্মসূচি পালন করা হয়েছে। পরে সংবাদ সম্মেলন করে মহাসড়ক অবরোধের ঘোষণা দেওয়া হয়। এরপরও সরকারের পক্ষ থেকে দাবির বিষয়ে সুনির্দিষ্ট ঘোষণা না আসায় মহাসড়ক অবরোধ করা হয়েছে।
দোহাজারী হাইওয়ে থানার ওসি বলেন, ব্লকেডের বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। তাঁদের নির্দেশনা অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।



