বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর সর্বশেষ জরিপ অনুযায়ী, দেশে প্রতি হাজার জনের মধ্যে ৩৩২ জন অসুস্থ। এই হার গ্রামাঞ্চলে শহরাঞ্চলের তুলনায় বেশি।
জরিপে দেখা গেছে, জাতীয় পর্যায়ে প্রতি হাজারে ৩৩২ দশমিক ১৯ জন অসুস্থ। গ্রামাঞ্চলে এই হার ৩৩৩ দশমিক ৩০ জন ও শহরাঞ্চলে ৩৩১ জন।
লিঙ্গভিত্তিক পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, নারীদের অসুস্থতার হার পুরুষের চেয়ে বেশি। প্রতি হাজার নারীর মধ্যে ৩৫৪ জন ও পুরুষের মধ্যে ৩০৯ জন অসুস্থতায় ভোগেন।
বয়স বাড়ার সঙ্গে অসুস্থতার হারের সম্পর্ক পাওয়া গেছে। এক বছরের কম বয়সী শিশুদের মধ্যে অসুস্থতার হার হাজারে ২৩২ জন, যা ৭৫-৭৯ বছর বয়সীদের ক্ষেত্রে বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৭৪৪ জনে।
জরিপে দেখা গেছে, অংশ নেওয়া ৫১ দশমিক ২ শতাংশ মানুষ জানিয়েছেন, তাঁরা চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়াই নিজে অথবা স্থানীয় ফার্মেসি ও ওষুধের দোকান থেকে চিকিৎসা গ্রহণ করেন।
প্রায় ২০ শতাংশ মানুষ বেসরকারি স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠান ও ১১ দশমিক ৫ শতাংশ মানুষ সরকারি স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠান থেকে সেবা নেন।
নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা বা রুটিন চেকআপ করানোর হার ১ দশমিক ৬৪ শতাংশ।
বিবিএসের জরিপে দেখা গেছে, দেশে সিজারিয়ান সন্তান প্রসবের হার ৪৯ দশমিক ৩ শতাংশ।
প্রতিষ্ঠানিক ব্যবস্থাপনায় প্রসবের হার ৬৬ দশমিক ৬ শতাংশ।
জরিপ অনুযায়ী, ১৫ বছর ও তদূর্ধ্ব বয়সী জনগোষ্ঠীর মধ্যে ২৬ দশমিক ৭ শতাংশ ব্যক্তি তামাক বা তামাকজাতীয় দ্রব্য ব্যবহার করেন।
পুরুষদের মধ্যে এই হার ৩৭ দশমিক ৯ শতাংশ ও নারীদের মধ্যে ১৬ দশমিক ৫ শতাংশ।
স্বাস্থ্য সমস্যা প্রতিরোধে সচেতনতা বৃদ্ধির জন্য সরকার ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোকে একযোগে কাজ করতে হবে।
স্বাস্থ্যসেবা খাতে বিনিয়োগ বৃদ্ধি করা এবং স্বাস্থ্য শিক্ষা প্রসারের মাধ্যমে স্বাস্থ্য সমস্যা প্রতিরোধ করা সম্ভব।
স্বাস্থ্য সমস্যা প্রতিরোধে সকলকে সচেতন হতে হবে এবং স্বাস্থ্যসেবা খাতে সমন্বিত প্রচেষ্টা গ্রহণ করতে হবে।
স্বাস্থ্য সমস্যা প্রতিরোধে সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোর ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
স্বাস্থ্য সমস্যা প্রতিরোধে সকলকে একযোগে কাজ করতে হবে।
স্বাস্থ্য সমস্যা প্রতিরোধে সচেতনতা বৃদ্ধির জন্য সকলকে সমন্বিত প্রচেষ্টা গ্রহণ করতে হবে।
স্বাস্থ্য সমস্যা প্রতিরোধে সকলকে সচেতন হতে হবে এবং স্বাস্থ্যসেবা খাতে সমন্বিত প্রচেষ্টা গ্রহণ করতে হবে।
স্বাস্থ্য সমস্যা প্রতিরোধে সকলকে একযোগে কাজ করতে হবে এবং স্বাস্থ্যসেবা খাতে সমন্বিত প্রচেষ্টা গ্রহণ করতে হবে।
স্বাস্থ্য সমস্যা প্রতিরোধে সকলকে সচেতন হতে হবে এবং স্বাস্থ্যসেবা খাতে সমন্বিত প্রচেষ্টা গ্রহণ করতে হবে।
স্বাস্থ্য সমস্যা প্রতিরোধে সকলকে একযোগে কাজ করতে হবে এবং স্বাস্থ্যসেবা খাতে সমন্বিত প্রচেষ্টা গ্রহণ করতে হবে।
স্বাস্থ্য সমস্যা প্রতিরোধে সকলকে সচেতন হতে হবে এবং স্বাস্থ্যসেবা খাতে সমন্বিত প্রচেষ্টা গ্রহণ করতে হবে।



