বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) দ্বাদশ আসরের নিলামের চূড়ান্ত তালিকা থেকে বাদ পড়া ৯ জন স্থানীয় ক্রিকেটারকে এখনও দোষী হিসেবে দেখা হচ্ছে না। তাদের ‘রেড ফ্ল্যাগ জোনে’ রাখা হয়েছে। নিজেদের নির্দোষ প্রমাণ করতে চাইলে সুযোগ আছে, কিন্তু এই আসরে খেলার দরজা আপাতত বন্ধ।
বিপিএল গভর্নিং কাউন্সিলের সচিব ইফতেখার আহমেদ মিঠু জানিয়েছেন, গত বিপিএলের ঘটনা নিয়ে স্বাধীন তদন্ত কমিশন করেছি। তাদের প্রতিবেদনের ভিত্তিতে একটা তালিকা পেয়েছি, যদিও কারও নাম প্রকাশ করিনি। আমাদের মনে হয়েছে, কয়েকজন খেলোয়াড় ঝুঁকিপূর্ণ। তবে কাউকে দোষী বলছি না। সময় আছে নিজেদের নির্দোষ প্রমাণ করার। বোর্ড ও ইন্টেগ্রিটি ইউনিট যে প্রক্রিয়ায় যাচ্ছে, সেই পথেই তারা প্রমাণ করার সুযোগ পাবে। আপিলের সুযোগও রয়েছে।
নিলামে নাম কাটা নিয়ে সমালোচনার মধ্যে বিপিএলের সচিব জানালেন, স্বাধীন ইন্টিগ্রিটি ইউনিটের তদন্ত সঠিক ছিল। তারা শুধু প্রক্রিয়া অনুসরণ করেছেন। খেলোয়াড়দের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে প্রমাণ ছাড়া করেছেন, এইটা বলতে পারেন। কিন্তু একটা তদন্ত ইউনিট, যেখানে একজন অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি আছেন, তারা তো কোনো ভিত্তি ছাড়া প্রতিবেদন দেবেন বলে আমি মনে করি না।
বিপিএল গভর্নিং কাউন্সিলের সচিব আরও জানিয়েছেন, যদি আমি তাদের খেলতে অনুমতি দেই, তাহলে সেটা ক্রিকেটের জন্য খারাপ সংকেত। আমরা আমাদের বিচারিক প্রক্রিয়ার মধ্যে থেকে সিদ্ধান্ত নিয়েছি। আমি তো বাধ্য নই যে, একজন ক্রিকেটারকে লিগে খেলছে মানেই অকশনে নিতেই হবে। বিভিন্ন কারণে কাউকে না নেওয়া যায়। আমরা নিব না। ক্রিকেট খেলা হবে নিয়ম অনুযায়ী।
বিপিএল গভর্নিং কাউন্সিলের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, নিলামে বাদ পড়া খেলোয়াড়রা আপিল করতে পারবেন। তাদের আপিলের সুযোগ রয়েছে। বিপিএল গভর্নিং কাউন্সিল তাদের আপিল শোনার জন্য প্রস্তুত। খেলোয়াড়দের নির্দোষ প্রমাণ করার সুযোগ রয়েছে। বিপিএল গভর্নিং কাউন্সিল তাদের সহযোগিতা করবে।
বিপিএলের নিলামে বাদ পড়া খেলোয়াড়দের জন্য এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত। তারা আপিল করতে পারবেন এবং তাদের নির্দোষ প্রমাণ করার সুযোগ রয়েছে। বিপিএল গভর্নিং কাউন্সিল তাদের সহযোগিতা করবে। এটি ক্রিকেটের জন্য একটি ভালো সংকেত।



