বাংলাদেশের বিদেশি ঋণ বৃদ্ধির হার বাড়ছে। গত বছরের তুলনায় এই বছর বিদেশি ঋণ গ্রহণ বেড়েছে। বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, গত জুলাই-অক্টোবর মাসে বিদেশি ঋণ গ্রহণ করা হয়েছে ১.২০ বিলিয়ন ডলার। এটি গত বছরের তুলনায় ৩৭৫ শতাংশ বেশি।
বিদেশি ঋণ গ্রহণ বৃদ্ধির কারণ হিসেবে বলা হচ্ছে গত বছরের রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতা। এই অস্থিতিশীলতার কারণে উন্নয়ন কার্যক্রম ধীর হয়ে গিয়েছিল। ফলে বিদেশি ঋণ গ্রহণ কমে গিয়েছিল। কিন্তু এই বছর বিদেশি ঋণ গ্রহণ বেড়েছে।
বিদেশি ঋণ গ্রহণ বৃদ্ধির সাথে সাথে বাংলাদেশের ঋণ পরিশোধের বোঝা বাড়ছে। গত জুলাই-অক্টোবর মাসে বাংলাদেশ ১.৫৮ বিলিয়ন ডলার ঋণ পরিশোধ করেছে। এটি গত বছরের তুলনায় ১২.৬ শতাংশ বেশি।
বাংলাদেশের অর্থনীতিতে বিদেশি ঋণের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ। বিদেশি ঋণ গ্রহণের মাধ্যমে বাংলাদেশ তার উন্নয়ন কার্যক্রম পরিচালনা করে। কিন্তু বিদেশি ঋণ গ্রহণ বৃদ্ধির সাথে সাথে ঋণ পরিশোধের বোঝা বাড়ছে। এটি বাংলাদেশের অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য হুমকি হতে পারে।
বাংলাদেশের অর্থনীতির ভবিষ্যৎ সম্পর্কে বিশেষজ্ঞরা উদ্বেগ প্রকাশ করছেন। তারা বলছেন, বিদেশি ঋণ গ্রহণ বৃদ্ধির সাথে সাথে ঋণ পরিশোধের বোঝা বাড়ছে। এটি বাংলাদেশের অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য হুমকি হতে পারে। তাই বাংলাদেশকে বিদেশি ঋণ গ্রহণ সম্পর্কে সতর্ক থাকতে হবে।
বাংলাদেশের অর্থনীতির উন্নয়নে বিদেশি ঋণের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু বিদেশি ঋণ গ্রহণ বৃদ্ধির সাথে সাথে ঋণ পরিশোধের বোঝা বাড়ছে। এটি বাংলাদেশের অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য হুমকি হতে পারে। তাই বাংলাদেশকে বিদেশি ঋণ গ্রহণ সম্পর্কে সতর্ক থাকতে হবে।
বাংলাদেশের অর্থনীতির ভবিষ্যৎ সম্পর্কে বিশেষজ্ঞরা উদ্বেগ প্রকাশ করছেন। তারা বলছেন, বিদেশি ঋণ গ্রহণ বৃদ্ধির সাথে সাথে ঋণ পরিশোধের বোঝা বাড়ছে। এটি বাংলাদেশের অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য হুমকি হতে পারে। তাই বাংলাদেশকে বিদেশি ঋণ গ্রহণ সম্পর্কে সতর্ক থাকতে হবে।
বাংলাদেশের অর্থনীতির উন্নয়নে বিদেশি ঋণের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু বিদেশি ঋণ গ্রহণ বৃদ্ধির সাথে সাথে ঋণ পরিশোধের বোঝা বাড়ছে। এটি বাংলাদেশের অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য হুমকি হতে পারে। তাই বাংলাদেশকে বিদেশি ঋণ গ্রহণ সম্পর্কে সতর্ক থাকতে হবে।



