যুক্তরাষ্ট্র সম্প্রতি আফগানিস্তানের নাগরিকদের ভিসা দেওয়া বন্ধ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এই সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, বিশ্বজুড়ে সমস্ত মার্কিন দূতাবাস ও কনস্যুলার দপ্তরে একটি তারবার্তা পাঠানো হয়েছে।
এই তারবার্তায় বলা হয়েছে যে, কোনো আফগান নাগরিককে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা প্রদান করা যাবে না। এছাড়াও, যেসব আফগান নাগরিকদের ভিসা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে, সেগুলো তাত্ক্ষণিকভাবে বন্ধ করে দেওয়া হবে।
যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এবং প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের জাতীয় নিরাপত্তা বিষয়ক উপদেষ্টা মার্কো রুবিও শনিবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি বার্তা পোস্ট করেছেন।
এই বার্তায় তিনি বলেছেন, আফগানিস্তানের পাসপোর্টধারী সকল ব্যক্তিকে ভিসা দেওয়া বন্ধ করছে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। যুক্তরাষ্ট্র এবং মার্কিন জনগণের নিরাপত্তা ও সুরক্ষা আমাদের কাছে সর্বোচ্চ।
এই সিদ্ধান্তের পর থেকে, আফগানিস্তানের নাগরিকরা যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের জন্য ভিসা পাবেন না। এটি আফগানিস্তান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে সম্পর্কের উপর উল্লেখযোগ্য প্রভাব ফেলবে।
এই সিদ্ধান্তের পর, আফগানিস্তানের নাগরিকরা যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের জন্য অন্যান্য দেশের মাধ্যমে যাত্রা করতে বাধ্য হবেন। এটি তাদের জন্য আরও কঠিন হবে।
যুক্তরাষ্ট্রের এই সিদ্ধান্ত আন্তর্জাতিক সম্পর্কের উপরও প্রভাব ফেলবে। অন্যান্য দেশও এই সিদ্ধান্তের পর থেকে আফগানিস্তানের নাগরিকদের ভিসা দেওয়া বন্ধ করতে পারে।
এই সিদ্ধান্তের পর, আফগানিস্তান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে সম্পর্ক আরও খারাপ হবে। এটি আফগানিস্তানের নাগরিকদের জন্য আরও কঠিন হবে।
যুক্তরাষ্ট্রের এই সিদ্ধান্ত আন্তর্জাতিক শান্তি ও নিরাপত্তার জন্যও উদ্বেগজনক। এটি আন্তর্জাতিক সম্পর্কের উপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে।
যুক্তরাষ্ট্রের এই সিদ্ধান্তের পর, আফগানিস্তানের নাগরিকরা যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের জন্য ভিসা পাবেন না। এটি তাদের জন্য আরও কঠিন হবে।
যুক্তরাষ্ট্রের এই সিদ্ধান্ত আন্তর্জাতিক সম্পর্কের উপরও প্রভাব ফেলবে। অন্যান্য দেশও এই সিদ্ধান্তের পর থেকে আফগানিস্তানের নাগরিকদের ভিসা দেওয়া বন্ধ করতে পারে।
এই সিদ্ধান্তের পর, আফগানিস্তান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে সম্পর্ক আরও খারাপ হবে। এটি আফগানিস্তানের নাগরিকদের জন্য আরও কঠিন হবে।
যুক্তরাষ্ট্রের এই সিদ্ধান্ত আন্তর্জাতিক শান্তি ও নিরাপত্তার জন্যও উদ্বেগজনক। এটি আন্তর্জাতিক সম্পর্কের উপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে।
যুক্তরাষ্ট্রের এই সিদ্ধান্তের পর, আফগানিস্তানের নাগরিকরা যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের জন্য ভিসা পাবেন না। এটি তাদের জন্য আরও কঠিন হবে।
যুক্তরাষ্ট্রের এই সিদ্ধান্ত আন্তর্জাতিক সম্পর্কের উপরও প্রভাব ফেলবে। অন্যান্য দেশও এই সিদ্ধান্তের পর থেকে আফগানিস্তানের নাগরিকদের ভিসা দেওয়া বন্ধ করতে পারে।
এই সিদ্ধান্তের পর, আফগানিস্তান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে সম্পর্ক আরও খারাপ হবে। এটি আফগানিস্তানের নাগরিকদের জন্য আরও কঠিন হবে।
যুক্তরাষ্ট্রের এই সিদ্ধান্ত আন্তর্জাতিক শান্তি ও নিরাপত্তার জন্যও উদ্বেগজনক। এটি আন্তর্জাতিক সম্পর্কের উপর নেতিব



