এশিয়া আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলা শেষ হয়েছে। রাজধানীর আগারগাঁওয়ে অনুষ্ঠিত এই মেলায় দেশি-বিদেশি ক্রেতারা ভিড় করেছেন।
এই মেলায় নানা রকমের আসবাব, কসমেটিকস, খেলনা, তৈরি পোশাক, প্লাস্টিক, ক্রোকারিজসহ বিভিন্ন পণ্যের স্টল অংশ নিয়েছে। ভারতীয় ফুটওয়্যার, ইরানি মসলা, পাকিস্তানি তৈরি পোশাক, চাইনিজ কসমেটিকস সবকিছুই পাওয়া গেছে এই বাণিজ্য মেলায়।
এই মেলার টিকিট মূল্য ছিল ৩০ টাকা। মেলার প্রাঙ্গণে ঢুকতেই দেখা মেলে টিকিট কাউন্টারের। ৩০ টাকা মূল্যের টিকিটে পুরো প্যাভিলিয়ন ঘুরে দেখার সুযোগ পাওয়া গেছে, করা গেছে কেনাকাটাও।
মেলার শেষদিন ঘুরে দেখা গেছে, দেশীয় গয়না, কসমেটিকস দোকানে সাজিয়ে রেখেছে দোকানিরা। কিশোরীরা মেলায় পছন্দের গয়না কিনছে, মেলায় উঠেছে ইরানি তৈজসপত্র। সিরামিকের পণ্যের স্টলে ক্রেতাদের ভিড় দেখা গেছে।
এছাড়া শিশুদের খেলনার পসরা ছিল চোখে পড়ার মতো, মেলায় আসা লোকজন ঘোরাফেরার ফাঁকে খাওয়ার জন্য ছিল মুখরোচক নানা ধরনের পিঠা।
এই মেলায় পাকিস্তানি দোকানদার শিবলী শামসীর সঙ্গে কথা বলা গেছে। তিনি পাকিস্তানের করাচি থেকে এসেছেন। পাকিস্তানি নানা ধরনের তৈরি পোশাক বিক্রি হচ্ছে এই দোকানে।
শিবলী শামসীর দোকানের ব্যানারে লেখা ছিল ‘পাকিস্তান-বাংলাদেশ ফ্রেন্ডশিপ’, ছিল দুই দেশের পতাকাও।
এবারের বাণিজ্য মেলায় লাভ কেমন হয়েছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘আল্লাহর মেহেরবানিতে ব্যবসা ভালো গেছে এবার। ক্রেতারাও সন্তুষ্ট আমরাও সন্তুষ্ট।’
চায়না প্রিন্সেস শপে কাজ করছেন বাংলাদেশি মাসুদ মিয়া। চায়না মালিকানা এই দোকানে বিক্রি হচ্ছে চীনে তৈরি নানা ধরনের গয়না। এই দোকানে ভালো ব্যবসা চলছে বলে জানান মাসুদ।
তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশি গয়না থেকে চায়না গয়না বেশি বিক্রি হচ্ছে।’
এশিয়া আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলা শেষ হলেও দেশি-বিদেশি ক্রেতারা এই মেলার স্মৃতি নিয়ে বাড়ি ফিরেছেন।
এই মেলার মাধ্যমে দেশি-বিদেশি ব্যবসায়ীদের মধ্যে বাণিজ্যিক সম্পর্ক গভীর হয়েছে।
এশিয়া আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলা শেষ হলেও এর প্রভাব দেশের বাণিজ্য খাতে দেখা যাবে বলে আশা করা যায়।



