তিউনিসিয়ার রাজধানী তিউনিসে এক বিক্ষোভের সময় প্রমুখ বিরোধী দলের নেত্রী চাইমা ইসা পুলিশের হাতে গ্রেপ্তার হয়েছেন। এই গ্রেপ্তারের ঘটনাটি ঘটেছে শুক্রবার এক আদালতের রায়ের পর, যেখানে বিরোধী দলের নেতাদের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপতি কায়েস সাইদের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রের অভিযোগ আনা হয়েছিল। চাইমা ইসাকে ২০ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছিল।
এই গ্রেপ্তারের আগে, চাইমা ইসা জনগণকে প্রতিবাদ অব্যাহত রাখতে এবং নিপীড়নের বিরুদ্ধে লড়াই করতে আহ্বান জানিয়েছিলেন। তিনি এই অভিযোগগুলিকে অন্যায় এবং রাজনৈতিকভাবে অনুপ্রাণিত বলে মনে করেন।
পুলিশ এখনও বিরোধী দলের আরেক নেতা নাজিব চেব্বির গ্রেপ্তারের চেষ্টা করছে, যাকে ১২ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছিল। মানবাধিকার সংস্থা হিউম্যান রাইটস ওয়াচ এই বিচারকে ন্যায়বিচারের পরিহাস বলে অভিহিত করেছে।
তিউনিসিয়ার রাষ্ট্রপতি কায়েস সাইদ ২০২১ সালে সংসদ বাতিল করে নিজের ক্ষমতা বাড়িয়েছিলেন। তারপর থেকে, তিনি তার অনেক সমালোচককে কারাগারে পাঠিয়েছেন। এই ক্ষমতা বৃদ্ধির ফলে তিউনিসিয়ায় রাজনৈতিক পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে।
চাইমা ইসার গ্রেপ্তার তিউনিসিয়ার রাজনৈতিক দৃশ্যপটে এক নতুন মোড় ঘুরিয়ে দিতে পারে। এই ঘটনার পর দেশটির রাজনৈতিক পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হতে পারে। তিউনিসিয়ার জনগণ এখন তাদের অধিকার রক্ষার জন্য লড়াই করছে, এবং এই লড়াই কি ভাবে এগিয়ে যাবে তা দেখা অপেক্ষা করছে।
তিউনিসিয়ায় বিরোধী দলের নেতাদের গ্রেপ্তার এবং কারাদণ্ড দেওয়া হচ্ছে এক ধরনের রাজনৈতিক দমন। এই ধরনের দমন তিউনিসিয়ার গণতন্ত্রকে দুর্বল করছে। তিউনিসিয়ার জনগণ এখন তাদের অধিকার রক্ষার জন্য লড়াই করছে, এবং এই লড়াই কি ভাবে এগিয়ে যাবে তা দেখা অপেক্ষা করছে।
তিউনিসিয়ার রাজনৈতিক পরিস্থিতি এখন খুবই উত্তপ্ত। চাইমা ইসার গ্রেপ্তার এবং অন্যান্য বিরোধী দলের নেতাদের কারাদণ্ড দেওয়া হচ্ছে এক ধরনের রাজনৈতিক দমন। এই ধরনের দমন তিউনিসিয়ার গণতন্ত্রকে দুর্বল করছে। তিউনিসিয়ার জনগণ এখন তাদের অধিকার রক্ষার জন্য লড়াই করছে, এবং এই লড়াই কি ভাবে এগিয়ে যাবে তা দেখা অপেক্ষা করছে।



