গিনি-বিসাউয়ের সাবেক প্রেসিডেন্ট উমারো সিসোকো এমবালো কঙ্গোর রাজধানী ব্রাজাভিলে পৌঁছেছেন। এটি ঘটেছে সামরিক অভ্যুত্থানের কয়েকদিন পর, যার ফলে তিনি ক্ষমতাচ্যুত হয়েছিলেন। এমবালোর প্রধান সচিব কালিফা সোয়ারেস কাসামা নিশ্চিত করেছেন যে সাবেক প্রেসিডেন্ট ব্রাজাভিলে রয়েছেন।
গিনি-বিসাউয়ে সামরিক অভ্যুত্থানের পর এমবালো প্রথমে প্রতিবেশী দেশ সেনেগালে আশ্রয় নিয়েছিলেন। কিন্তু এখন তিনি কঙ্গোতে রয়েছেন। এই অভ্যুত্থানের পিছনে কী কারণ তা এখনও পরিষ্কার নয়। অনেকে অনুমান করছেন যে এমবালোর সমর্থনেই এই অভ্যুত্থান ঘটেছে।
আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় এই অভ্যুত্থানের তীব্র নিন্দা জানিয়েছে। আফ্রিকার আঞ্চলিক নেতারা এবং জাতিসংঘ গিনি-বিসাউয়ের নতুন সামরিক নেতাদেরকে সাংবিধানিক শাসন পুনরুদ্ধার এবং নির্বাচনী প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ করার আহ্বান জানিয়েছে। সেনেগালের প্রধানমন্ত্রী ওসমানে সোঙ্কো এই ঘটনাকে ‘প্রতারণা’ বলে অভিহিত করেছেন।
গিনি-বিসাউয়ের নতুন সামরিক নেতাদের অনেকেই এমবালোর ঘনিষ্ঠ। জেনারেল হোর্তা ইনতা-আ নতুন অস্থায়ী প্রেসিডেন্ট হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন। ইলিডিও ভিয়েরা তে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন। তিনি এমবালোর সরকারে অর্থমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।
সশস্ত্র মিলিশিয়া গোষ্ঠী গিনি-বিসাউয়ের প্রধান বিরোধী দল পিএআইজিসির দপ্তরে হামলা চালিয়েছে। দলটি এই হামলাকে ‘স্থিতিশীলতা, গণতন্ত্র এবং আইনের শাসনের উপর আক্রমণ’ বলে অভিহিত করেছে।
গিনি-বিসাউয়ের রাজনৈতিক পরিস্থিতি এখন অত্যন্ত অস্থিতিশীল। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় এই পরিস্থিতির উন্নতির জন্য কাজ করছে। কিন্তু এখনও পরিষ্কার নয় যে এই সংকটের সমাধান কীভাবে হবে।
গিনি-বিসাউয়ের সাবেক প্রেসিডেন্ট উমারো সিসোকো এমবালোর কঙ্গোতে আগমন এই দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে। এখন দেখার বিষয় হল এই পরিস্থিতির সমাধান কীভাবে হবে। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় এই বিষয়ে সক্রিয়ভাবে কাজ করছে। কিন্তু এখনও পরিষ্কার নয় যে এই সংকটের সমাধান কীভাবে হবে।
গিনি-বিসাউয়ের রাজনৈতিক পরিস্থিতি এখন অত্যন্ত অস্থিতিশীল। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় এই পরিস্থিতির উন্নতির জন্য কাজ করছে। কিন্তু এখনও পরিষ্কার নয় যে এই সংকটের সমাধান কীভাবে হবে। গিনি-বিসাউয়ের জনগণ এখন অত্যন্ত উদ্বিগ্ন। তারা এই সংকটের সমাধান চাই। কিন্তু এখনও পরিষ্কার নয় যে এই সংকটের সমাধান কীভাবে হবে।
গিনি-বিসাউয়ের সাবেক প্রেসিডেন্ট উমারো সিসোকো এমবালোর কঙ্গোতে আগমন এই দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে। এখন দেখার বিষয় হল এই পরিস্থিতির সমাধান কীভাবে হবে। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় এই বিষয়ে সক্রিয়ভাবে কাজ করছে। কিন্তু এখনও পরিষ্কার নয় যে এই সংকটের সমাধান কীভাবে হবে। গিনি-বিসাউয়ের জনগণ এখন অত্যন্ত উদ্বিগ্ন। তারা এই সংকটের সমাধান চাই। কিন্তু এখনও পরিষ্কার নয় যে এই সংকটের সমাধান কীভাবে হবে।



