বাংলাদেশে মানব পাচার বিরোধী প্রচেষ্টায় সরকার একটি শূন্য সহনশীলতা নীতি অনুসরণ করছে। এই প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে, সাতটি বিভাগীয় মানব পাচার বিরোধী ট্রাইব্যুনাল প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে। এছাড়াও, উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় এই ট্রাইব্যুনালগুলো প্রসারিত করা হবে এবং ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তার জন্য একটি জাতীয় রেফারেল ব্যবস্থা চালু করা হবে।
বাংলাদেশে মানব পাচারের বিরুদ্ধে প্রচেষ্টা চলছে। এই প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে, ২০২৪ সাল পর্যন্ত ৪,২৯১টি মানব পাচারের মামলা বিশেষ ট্রাইব্যুনালে বিচারাধীন রয়েছে। এছাড়াও, ১৬,০০০ জন সন্দেহভাজন পাচারকারীকে গ্রেফতার করা হয়েছে এবং ৬৬২টি মামলার বিচার সম্পন্ন হয়েছে। উপরন্তু, ১,০৭৯টি নতুন মামলা দায়ের করা হয়েছে এবং পাঁচজন পাচারকারীকে বিদ্যমান আইনের অধীনে আজীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
বাংলাদেশে মানব পাচার বিরোধী প্রচেষ্টায় আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ও সমর্থন দিচ্ছে। ইউরোপীয় ইউনিয়নের প্রতিনিধি বাংলাদেশে মানব পাচারের বিরুদ্ধে সমন্বিত পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। তারা বলেছেন, মানব পাচার একটি জটিল সমস্যা যা সমাজের বিভিন্ন স্তরে বিস্তার লাভ করেছে। এই সমস্যা সমাধানের জন্য সরকার, বেসরকারি সংস্থা এবং আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সমন্বিত প্রচেষ্টা প্রয়োজন।
বাংলাদেশে মানব পাচার বিরোধী প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে। সরকার এবং আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় এই প্রচেষ্টায় সমর্থন দিচ্ছে। এই প্রচেষ্টার ফলে মানব পাচারের বিরুদ্ধে সফলতা অর্জিত হচ্ছে। তবে, এই সমস্যা সমাধানের জন্য আরও প্রচেষ্টা প্রয়োজন।



